তারা বলেছে, রাজনীতিতে ব্যাপক সংস্কার, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি দূর করতে, জাতীয় সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করতে এবং দেশের উন্নয়ন করতে কাজ করবে।
এনসিপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে তারা একটি গণতান্ত্রিক, সমতার ভিত্তিতে পরিচালিত দল হিসেবে কাজ করবে এবং দেশের স্বার্থে, ভারত বা পাকিস্তান কোনো পক্ষের সঙ্গে সম্পর্কের ঊর্ধ্বে থাকবে।
বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি দৈনিকেই নতুন দলের আত্মপ্রকাশের খবর প্রধান শিরোনাম হয়েছে।
প্রতিবেদনে মূলত পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান মন্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।
তিনি বলেছেন যে, নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কিংস পার্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
তার প্রত্যাশা নতুন দল রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে, কিন্তু জাতিগতভাবে আমাদের পরিবর্তন প্রয়োজন বলেও তিনি জানান।
তিনি বলেন, শুধুমাত্র নতুনদের নিয়ে সমস্যা সমাধান সম্ভব নয় এবং বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন প্রয়োজন।
তিনি সবাইকে দেশের জন্য ইতিবাচকভাবে কাজ করতে উৎসাহিত করেন।
এছাড়া, তিনি পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, বায়ুদূষণ, পানিদূষণ, মাটিদূষণ এবং শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।
পরিবেশে অবকাঠামো তৈরি করলে, কিন্তু পরিবেশের দিকে নজর না দিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বিপদ তৈরি হবে।
তিনি জনগণকে পরিবেশ রক্ষা এবং প্লাস্টিক দূষণ কমানোর জন্য ব্যক্তিগত উদ্যোগ নিতে আহ্বান জানিয়েছেন।
তার মতে, একটি টেকসই এবং পরিবেশবান্ধব সমাজ গঠন করতে হলে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে।