অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল – বিএনপি’র এবারের বর্ধিত সভা বিশেষ অর্থ বহন করছে বলে মনে করেন দলটির নেতাকর্মীরা। প্রায় সাত বছর পর বর্ধিত সভার আয়োজন কর দলটি।
বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সভার স্থানটিও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন নেতাকর্মীরা।
জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত হয় এই আয়োজন। যেখানে সারা দেশ থেকে চার হাজারের বেশি প্রতিনিধি সমবেত হন।
নেতাকর্মীরা মনে করেন, বিএনপি যে সংসদীয় রাজনীতির দল এবং তাদের ভাবনায় যে নির্বাচনমুখী রাজনীতি, সেই বার্তা দেয়া হলো সংসদভবন এলাকায় সভা করে।
একদিন পর শুক্রবার সংসদ ভবন এলাকাতেই নতুন রাজনৈতিক দল নিয়ে আত্মপ্রকাশ করার ঘোষণা দিয়েছেন গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্র নেতারা।
এদিকে, বিএনপি’র বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
এর মধ্য দিয়ে সাত বছর পর বড় কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বক্তব্য দিলেন তিনি।
খালেদা জিয়া বর্তমানে চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন।
তিনি দ্রুত নির্বাচনের আহ্বান জানানোর পাশাপাশি দলকে ঐকবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য নেতাকর্মীদের তাগিদ দেন।
ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় নির্বাচনের আশ্বাস পাওয়ার পরও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ওপর চাপ অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশব্যাপী সমাবেশের কর্মসূচি নিয়ে ইতোমধ্যেই মাঠে নেমেছে বিএনপি।
বর্ধিত সভায় শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি তৃণমূল প্রতিনিধিদের বক্তব্যের মূল সুর ছিল নির্বাচনকেন্দ্রিক।
এছাড়া, এক সময়ের মিত্র থেকে বর্তমানে প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠা জামায়াতে ইসলামী, অভ্যুত্থানের নেতৃত্বদানকারীদের দল গঠনসহ বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে।
রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও রংপুর বিভাগের কয়েকটি জেলার নেতাদের সাথে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।
সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলা পর্যায়ের নেতারা বিভিন্ন মন্তব্য, পরামর্শ ও প্রশ্ন তুলে ধরেন। সন্ধ্যার পর জেলা পর্যায়ের নেতাদের কথা বলার পর্ব শুরু হয়।