• ৩০শে আগস্ট, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ১৫ই ভাদ্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘যারা বলে একাত্তর ও চব্বিশ সমান, তারা মুক্তিযুদ্ধ করেনি’

Mofossal Barta
প্রকাশিত মার্চ ২৬, ২০২৫, ১৯:৩৭ অপরাহ্ণ
‘যারা বলে একাত্তর ও চব্বিশ সমান, তারা মুক্তিযুদ্ধ করেনি’

'যারা বলে একাত্তর ও চব্বিশ সমান, তারা মুক্তিযুদ্ধ করেনি'

সংবাদটি শেয়ার করুন....

সমকালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শিরোনামের এই মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সমকাল তার কাছে জানতে চেয়েছিলো, “একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ এবং চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানকে অনেকে মুখোমুখি দাঁড় করাতে চাইছেন। এ বিষয়ে বিএনপির অবস্থান কী?”

উত্তরে তিনি বলেন, “একাত্তর ও চব্বিশ সমান– এটি মূলত তারা বলেন, যারা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ করেনি; উল্টো একাত্তরে হত্যাযজ্ঞে সহযোগিতা করেছেন।”

“তাদের কেউ কেউ এখন গলা উঁচিয়ে বলার চেষ্টা করছে যে ‘৭১ সালে কিছু হয়নি। কিছু কিছু দল বোঝানোর চেষ্টা করছে, মুক্তিযুদ্ধ কোনও ঘটনাই ছিল না। ২৫ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এই দেশের মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো। হত্যা করেছে লাখো নিরীহ মানুষ।”

“সেই সময়ে যিনি পূর্ব পাকিস্তানের নেতা ছিলেন, তিনি তখন আত্মসমর্পণ করেছিলেন। বাঙালি দিশেহারা ছিল। সে সময়ে একজন অখ্যাত মেজর বাঙালিদের ঐক্যবদ্ধ করার ডাক দিয়েছিলেন। সবাই সাহস নিয়ে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। দেশ স্বাধীন হয়েছিল।”

“বিপরীতে চব্বিশ হচ্ছে একটি গণতান্ত্রিক অধিকারের জন্য লড়াই। দেশকে স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদমুক্ত করার লড়াই। তাই একাত্তর ও চব্বিশকে তুলনা করার কোনও সুযোগ নেই। দু’টি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়,” যোগ করেন বিএনপি মহাসচিব।

তিনি এও মনে করিয়ে দেন যে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান “অন্য কারও চিন্তা না করে নিজে আত্মসমর্পণ করে পাকিস্তানে চলে গিয়েছিলেন।”

“আবার চব্বিশে শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে গেছেন। নিজ দলের নেতাকর্মীকে নিয়ে কোনো ভাবনা দেখা যায়নি। এটাই এদের চরিত্র। জনগণ যখন ক্ষেপে ওঠে, তখন ওরা এভাবে কর্মীদের অরক্ষিত রেখে পালিয়ে যায়। সাধারণ মানুষের কথা এরা কখনও ভাবে না” বলে মত তার।

কেউ হবেন মুক্তিযোদ্ধা, কেউ সহযোগী— দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত ১১ বার বীর মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা ও মানদণ্ড বদলানো হয়েছে। এর মধ্যে শুধু সংজ্ঞা বদলানো হয়েছে পাঁচবার।

তবে এখন থেকে মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে রণাঙ্গনে সরাসরি যুদ্ধ করেছেন এবং যারা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন, শুধু তারাই ‘বীর মুক্তিযোদ্ধার’ স্বীকৃতি পাবেন।

এর বাইরে যারা দেশে-বিদেশে থেকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশেষ অবদান রেখেছিলেন, বিশ্বজনমত তৈরিতে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন, তারা হবেন ‘মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’।

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) আইন সংশোধন করে নতুন যে অধ্যাদেশ হতে যাচ্ছে, তাতে বীর মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় এ পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

ইতিমধ্যে এই অধ্যাদেশের খসড়া তৈরি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। এর আগে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় পরিবর্তন আনা হয়েছিল ২০২২ সালে।

সর্বশেষ সংজ্ঞায় মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা যুদ্ধ করেছিলেন এবং যারা বিশেষ অবদান রেখেছিলেন, তাদের সবাইকে বীর মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল।

১৫ বছরে নতুন মুক্তিযোদ্ধা ১৮১৬৮— কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনকালে ২০১০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) ৯০টি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এসব সভার মাধ্যমে নতুন করে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাভুক্তি ও যাচাই-বাছাই করা হয়।

জামুকা বলছে, এ সময় সভাগুলোতে ১৮ হাজার ১৬৮ জনকে নতুন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্তির সুপারিশ করা হয়েছে।

একই সময়ে পাঁচ হাজার ৯৮৭ জন অমুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিলের সুপারিশও করা হয়েছে।

তবে এ সময় অমুক্তিযোদ্ধা হয়েও মুক্তিযোদ্ধার খাতায় নাম লেখানোর বেশ কিছু অভিযোগও উঠেছে।

এসব ঘটনায় উল্লেখযোগ্য শাস্তি না হলেও কারও কারও সনদ বাতিল করা হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে গত বছরের পাঁচই অগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় এলে নতুন করে অমুক্তিযোদ্ধা শনাক্ত এবং মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা যাচাই-বাছাই করার ঘোষণা দেওয়া হয়।

সেই লক্ষ্যে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা পরিবর্তনসহ জামুকা আইন সংশোধন করে অধ্যাদেশ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

পাকিস্তান আমলের স্বৈরতন্ত্রের মডেল অনুসৃত হয়েছে বাংলাদেশেও— বণিক বার্তা পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হয়েছে, ইস্কান্দার মির্জাকে এক সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত করে ১৯৫৮ সালে পাকিস্তানের শাসনভার হাতে তুলে নেন আইয়ুব খান।

এর পর এক দশকেরও বেশি সময় ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখতে তিনি সক্ষম হয়েছিলেন। তার স্বৈরশাসনকে দীর্ঘস্থায়ী করার কারিকর হিসেবে বড় ভূমিকা রাখে সিএসপি (সিভিল সার্ভিস অব পাকিস্তান) আমলাতন্ত্র ও এলিট সামরিকতন্ত্র।

শুধু আইয়ুব খান নন, পাকিস্তানে তার পরে ক্ষমতায় আসা স্বৈরশাসকদেরও ক্ষমতার বড় ভরকেন্দ্র ছিলেন এলিট সিএসপি ও মিলিটারি কর্মকর্তারা।

এমনকি মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে পাকিস্তান থেকে স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশেও স্বৈরশাসনের ক্ষেত্রে একই মডেল অনুসৃত হয়েছে, যার সবচেয়ে বড় উদাহরণ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ও শেখ হাসিনার শাসনামল।

সরকারি আমলা ও সামরিক বাহিনীর অনুগত এলিটদের সহায়তায় টানা দেড় দশক ক্ষমতায় থাকার রেকর্ড গড়েছেন শেখ হাসিনা।

একই কায়দায় এরশাদও ক্ষমতায় ছিলেন টানা সাত বছর, বলা হয়েছে এই প্রতিবেদনে।

লালমনিরহাট বিমানবন্দর চালু সময়ের দাবি— যুগান্তর পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হয়েছে, বিগত সরকারগুলোর অনীহা আর আন্তর্জাতিক জটিলতায় আটকে আছে লালমনিরহাট বিমানবন্দরের কার্যক্রম।

বিমানবন্দরটি জাতীয় নিরাপত্তা ও ভূকৌশলগত কারণে খুবই গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় বেশ কয়েকবার চালুর উদ্যোগ নিলেও নানা কারণে তা আলোর মুখ দেখেনি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও এভিয়েশন বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের অর্থনীতি, যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিল্প-বাণিজ্য প্রসার এবং ভৌগোলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সব হিসাব-নিকাশ পালটে দিতে পারে এই বিমানবন্দর।

এটি চালু হলে চীন, ভারত, নেপাল ও ভুটানের ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারে আঞ্চলিক হাব হিসাবে গড়ে উঠবে। এতে বাংলাদেশের উন্নয়নে খুলবে উত্তরের দুয়ার।

জানা গেছে, বিগত সরকারগুলো লালমনিরহাট বিমানবন্দর চালুর বিষয়ে অনীহা থাকলেও অন্তর্বর্তী সরকার এ নিয়ে কাজ শুরু করেছে।

ইতোমধ্যে বিমানবাহিনী প্রধান লালমনিরহাট বিমানবন্দর পরিদর্শন করে এসেছেন। শিগগিরই সম্ভাব্যতা যাচাই করে ফের কাজ শুরু করার কথা রয়েছে।

স্বাধীনতা দিবস ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে গতকাল মঙ্গলবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, এ বছর ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের জুনের মধ্যে আগামী নির্বাচন হবে।

তিনি বলেন যে তারা চান, এটি ইতিহাসের সবচেয়ে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হোক।

এ জন্য নির্বাচন কমিশন সব ধরনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে বলেও জানান তিনি।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশে ‘অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য’ যে ধরণের গুজব ছড়ানো হচ্ছে, সে বিষয়েও মন্তব্য করেন তিনি।

তার ভাষ্য, “আপনারা জানেন যে গুজবের পেছনে কারা আছে।”

ভিসা জটিলতায় অনিশ্চিত ৩৫০০০ মানুষের ওমরাহ — দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, প্রস্তুতি নিলেও সৌদি আরব সরকার ওমরাহ ভিসা কমিয়ে দেওয়ার কারণে ওমরাহ পালন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে প্রায় এক লাখ বাংলাদেশির।

উড়োজাহাজের টিকিট, সৌদি আরবে বাড়ি বা হোটেল বুকিং দিয়েও নির্ধারিত সময়ে ভিসা না পাওয়ায় ওমরাহ পালনে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের পাশাপাশি ওমরাহ এজেন্সিগুলোও আর্থিক ক্ষতিতে পড়েছে।

এয়ারলাইনসগুলোও সমস্যায় পড়ছে।

হজ এজেন্সিগুলোর সংগঠন এবং ধর্ম মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে ঢাকায় সৌদি দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করলেও এখনও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি।

হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) সূত্র বলছে, সম্প্রতি সৌদি আরব ওমরাহ ভিসায় কোটা ব্যবস্থার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় এর প্রভাব বাংলাদেশি ওমরাহ যাত্রীদের ওপরও পড়েছে।

আগে ৯০ থেকে ১০০ শতাংশ ওমরাহ ভিসার আবেদন অনুমোদিত হলেও রমজানের শুরুতে এই হার নামে ৮-১০ শতাংশে।

রমজানের শেষ দিকে তা আরও কমে ২-৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।