• ৩০শে আগস্ট, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ১৫ই ভাদ্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘জলদস্যুর উৎপাতে আবারও অশান্ত’

Mofossal Barta
প্রকাশিত এপ্রিল ১২, ২০২৫, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
‘জলদস্যুর উৎপাতে আবারও অশান্ত’

এমনকি তাকে হত্যার ষড়যন্ত্রও করা হয়। শেষ পর্যন্ত পত্রিকাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় হক কথার ছাপাখানা। যা নিয়ে তখন কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন....

মফঃস্বল বার্তা ডেস্ক:  এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুন্দরবন ও কক্সবাজার এলাকার দেড় শতাধিক জলদস্যু অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণের পর নতুন করে আবার দস্যুতায় জড়িয়ে পড়ছে।

এদের অনেকে ফের অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজি শুরু করেছে। এবার এরা সরাসরি নিজের নামে বাহিনী না গড়ে নতুন কাউকে সামনে রেখে তাদের নামে বাহিনী পরিচালনা করছে। আর এদের দিয়েই শুরু করা হয়েছে অপহরণ ও চাঁদাবাজি।

জানা গেছে যে এরই মধ্যে সুন্দরবনে নতুন করে অন্তত ১০টি জলদস্যু বাহিনী গড়ে উঠেছে। তবে কোস্ট গার্ড সদর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, সুন্দরবনে নতুন করে তারা শুধু আলিফ ও কলিম শরীফ বাহিনীর তথ্য পেয়েছে।

গত বছর পাঁচই অগাস্ট গণ-অভ্যুত্থানের পর আত্মসমর্পণ করা সুন্দরবন অঞ্চলের জলদস্যুদের প্রায় সবাই আবারও দস্যুতার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে বলে তথ্য মিলছে।

এর মধ্যে চলতি বছরের গত দুই মাসে সুন্দরবনে অন্তত ১৫০ জন জেলেকে অপহরণ করে ১০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত মুক্তিপণ আদায় করেছে তারা। সর্বশেষ গত বুধবার ছয়জন নারীসহ ৩৩ জন জেলেকে অপহরণ করা হয়েছে। পরে কোস্ট গার্ড তাদের উদ্ধার করে।

আত্মসমর্পণ করা জলদস্যুদের সঙ্গে নতুন জলদস্যু যুক্ত হওয়ায় তাদের শক্তি আরও বেড়েছে। ফলে এক ভয়ংকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে সুন্দরবন, কক্সবাজারসহ বঙ্গোপসাগরের উপকূলে।

— সমকাল পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।

এতে বলা হয়েছে, কর্মীদের মধ্যে রেষারেষি, নেতাদের মধ্যে বিরোধ, মূল সংগঠনের সঙ্গে অঙ্গসংগঠনের মতভিন্নতা, স্বার্থের দ্বন্দ্ব, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গত আট মাসে সংর্ঘষে ৫১ নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় আহত হয়েছেন চার শতাধিক নেতাকর্মী-সমর্থক।

গত বছর পাঁচই অগাস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতনের পর থেকে চলতি বছরের নয়ই এপ্রিল পর্যন্ত অন্তত ৪৮টি সংঘর্ষে এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে।

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অনেক ঘটনায় বিএনপির শীর্ষ পর্যায় থেকে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে অনেকের বিরুদ্ধে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনাগুলোয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীকে আসামি করে মামলা হয়েছে। বিএনপি বহিষ্কার করেছে ৪৭ নেতাকে।

মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) তথ্যে দেখা যায়, চলতি বছরের মার্চ মাসে বিএনপির অন্তর্কোন্দলে ১৭ জন নিহত হয়েছেন। এ মাসে সারাদেশে ৯৭টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এর ৮৮টিই বিএনপির অন্তর্কোন্দলে।

 বা ময়লার ভাগাড়ের বিষাক্ততায় হাঁসফাঁস জীবন — দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম। আমিনবাজারের ল্যান্ডফিলের কথা বলা হয়েছে এই প্রতিবেদনে।

ঢাকার অদূরেই সাভার উপজেলার একটি ইউনিয়ন আমিনবাজার। এই ইউনিয়নের গ্রামগুলো জুড়ে একসময় সবুজ শস্যক্ষেত ছিল। সেখানকার বাতাসও ছিল খুব নির্মল।

কিন্তু এখন এই এলাকাটি সকলপ্রকার দূষণের প্রাণকেন্দ্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাভারের বালিয়াপুরের একটি আবর্জনার ভাগাড় থেকে নির্গত বিষাক্ততা স্থানীয়দের স্বাস্থ্যঝুঁকির মাঝে ফেলেছে।

এই ল্যান্ডফিল তথা ভাগাড়টি স্থাপিত হয়েছিলো ২০০৭ সালে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) উদ্যোগে। এরপর থেকেই ওই পুরো অঞ্চল অবিরাম দূষণের শিকার হচ্ছে। গবেষণা বলছে, এখানকার মানুষ এখন জল, বায়ু ও মাটির দূষণের প্রভাবের সাথে লড়াই করছে।

ওই অঞ্চলের মানুষ এখন চাষাবাদও করতে পারছে না। বর্ষাকালে বৃষ্টির পানির সাথে আশেপাশের জমিতে ভেসে আসে প্লাস্টিক, ভাঙা কাঁচ ও চিকিৎসা বর্জ্যের মতো বিষাক্ত জিনিস।

২০২২ সালের এক গবেষণা অনুযায়ী, পচনশীল আবর্জনা থেকে তৈরি হওয়া এক ধরনের বিষাক্ত তরল—যাকে লিচেট বলা হয়—মাটির ভেতর দিয়ে ভূগর্ভস্থ পানিতে মিশে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে আর্সেনিক, নিকেল, ক্রোমিয়াম ও সিসার মতো ভারী ধাতু ছড়াচ্ছে। এসব উপাদান ক্যান্সারসহ বিভিন্ন প্রাণঘাতী রোগের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন।

— দৈনিক প্রথম আলো’র প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হয়েছে, পুলিশে অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের (অতিরিক্ত আইজিপি) পদ রয়েছে ২২টি। এখন আছেন নয় জন। বাকি পদগুলো ফাঁকা, চলছে চলতি দায়িত্বে। এর বাইরে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত আইজিপির আরও সাতটি পদ আছে। সেগুলোও ফাঁকা।

অতিরিক্ত আইজিপিসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও অনেক পদ ফাঁকা রেখেই চলছে পুলিশ। আবার পদে থেকেও বিভিন্ন ইউনিটে সংযুক্ত আছেন ডিআইজি (উপমহাপরিদর্শক), অতিরিক্ত ডিআইজি ও এসপি (পুলিশ সুপার) পদমর্যাদার ১১৯ কর্মকর্তা। তাদের কার্যত কোনও দায়িত্ব নেই।

তাদের বেশির ভাগই প্রতিদিন অফিসে গিয়ে হাজিরা দিয়ে বের হয়ে যান।

একই সঙ্গে পুলিশের একজন অতিরিক্ত আইজিপিসহ ৮২ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করা হয়েছে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিদেশে পালিয়েছেন বা আত্মগোপনে আছেন অনেক কর্মকর্তা।

তাদের অনেকের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নির্বিচার গুলি, মানুষ হত্যাসহ আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

এতগুলো গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য থাকায় এবং অনেক কর্মকর্তা সংযুক্ত, ওএসডি ও আত্মগোপনে থাকায় প্রভাব পড়েছে পুলিশের সামগ্রিক কার্যক্রমে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, পুলিশের বেশির ভাগ ইউনিটের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে পূর্ণ দায়িত্ব পাননি। অনেক ইউনিটে একজন কর্মকর্তাকে একাধিক পদের দায়িত্ব সামলাতে হচ্ছে।

https://mofossalbarta.com/বৈদ্যুতিক ট্রেন চালুর সমীক্ষার শেষ কবে— দৈনিক আজকের পত্রিকা’র প্রধান শিরোনাম।

দেশে বৈদ্যুতিক ট্রেন চালানো যায় কি না, তার জন্য একটি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এর অংশ হিসেবে শুরুতে নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকা হয়ে চট্টগ্রাম পর্যন্ত এবং টঙ্গী থেকে জয়দেবপুর অংশে সমীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

কিন্তু প্রকল্পের শেষ সময়ে এসে আরও দুটি সেকশনে ১৭ দশমিক চার কিলোমিটার রুট সমীক্ষার আওতায় আনা হয়েছে। এতে তৃতীয় দফায় বাড়বে প্রকল্পের মেয়াদ।

এদিকে প্রকল্পের কার্যপরিধি বৃদ্ধির ফলে পরামর্শক সেবার ব্যয়ও বেড়েছে। আগে প্রকল্পের ব্যয় ছিল ১৫ কোটি ছয় লাখ টাকা। এখন এটি বেড়ে হবে ১৬ কোটি আট লাখ টাকা।

বারবার মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে জানতে চাইলে প্রকল্প পরিচালক মো. হাবিবুর রহমান বলেন, “মেয়াদ বাড়ানোর জন্য আমরা একটা প্রস্তাব করেছি, সেটা এখনও অনুমোদন হয়নি। আরও চার মাস ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় চেয়েছি। মেয়াদ বাড়ানোর পেছনে কিছু কারণ আছে। নতুন করে দুটি অংশে আরও ১৭ কিলোমিটার ফিজিবিলিটির আওতা বাড়ানো হয়েছে। সেখানে কাজ বাকি আছে। এজন্যই মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।”

— দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।

এখানে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের জন্য গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। এজন্য কমিশন ৪০ দিন সময় দিলেও গত ৩০ দিনে মাত্র একটি দল নিবন্ধনের আবেদন করেছে।

বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। কমিশন অবশ্য বলছে, একাধিক দলের সঙ্গে তাদের কথা হয়েছে; তারা শিগগির আবেদন করবে।

রাজনৈতিক নেতারা ও বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নিবন্ধনের কঠোর ও জটিল শর্তাবলির কারণে দোটানা তৈরি হয়েছে। কেউ মনে করছেন, নির্বাচনি ব্যবস্থা সংস্কারবিষয়ক কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়িত না হলে অধিকাংশ দল নিবন্ধনে আগ্রহ দেখাবে না।

রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের জন্য গত ১০ই মার্চ গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে নির্বাচন কমিশন। সময় বেঁধে দেওয়া হয় ২০শে এপ্রিল পর্যন্ত। এর মধ্যে একটি মাত্র দল আবেদন করেছে।

ইসির কর্মকর্তারা বলছেন, শেষ সময়ে হয়তো আবেদন জমা পড়বে।

স্থলভাগে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে প্রস্তুতি পেট্রোবাংলার— বণিক বার্তা পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, দেশের স্থলভাগে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে বিদ্যমান উৎপাদন বণ্টন চুক্তির (পিএসসি) চূড়ান্ত খসড়া হাতে পেয়েছে পেট্রোবাংলা।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান উড ম্যাকেঞ্জিকে দিয়ে করা এ পিএসসি চূড়ান্ত করে দ্রুত তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বানে যেতে চায় পেট্রোবাংলা।

পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে পাওয়া খসড়ার ওপর এরই মধ্যে জ্বালানি বিভাগ গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটি বেশকিছু সংশোধন ও সুপারিশ দিয়েছে।

এ সুপারিশ চূড়ান্ত করে জ্বালানি বিভাগে পাঠাবে পেট্রোবাংলা। আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং ও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম আগামী জুনের মধ্যে শেষ হবে। এরপর চূড়ান্ত দরপত্রে যাবে পেট্রোবাংলা।

— নিউ এজ পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের রোগবালাইয়ের ৯১ শতাংশই জলবায়ুজনিত।

এই প্রভাবের সবচেয়ে বেশি শিকার হচ্ছেন নারী ও শিশুরা। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড হেলথ প্রমোশন ইউনিটের গত মাসে প্রকাশিত এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

২০১৭ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে দেশের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে রিপোর্ট হওয়া ২৮ লাখ রোগীর তথ্য বিশ্লেষণ করে এই ফলাফল পাওয়া গেছে।

গবেষকরা যেসব রোগ বেশি পেয়েছেন, সেগুলোর মাঝে উল্লেখযোগ্য হলো— ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, অ্যাংজাইটি ডিজঅর্ডার, ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন, টাইফয়েড, কলেরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন— খরা, তাপপ্রবাহ, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ, পানি ও খাদ্যদ্রব্যে দূষণ এবং অস্বাভাবিক তাপমাত্রার কারণে এগুলো বেড়েছে।

সেই সাত গোপন চুক্তি— যুগান্তর পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নয় মাসে তাজউদ্দীন আহমদকে দিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে জনস্বার্থবিরোধী সাতটি চুক্তি করিয়ে নিয়েছিলো ভারত।

দেশ বিক্রির ওই সাতটি চুক্তি বলবৎ থাকার পরও ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে ঢাকায় নিয়ে আসেন, এমনকি ভারতের সঙ্গে ২৫ বছর মেয়াদি আরও একটি চুক্তি করা হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা তখন বলেছিলেন, ভারত চিরস্থায়ীভাবে বাংলাদেশকে তার দাসত্বে রাখার জন্য এসব চুক্তি করে। তাজউদ্দীনের মাধ্যমে করা ভারতের সেই সাতটি গোপন চুক্তির বিষয়গুলো ১৯৭২ সালের ২২শে সেপ্টেম্বর মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর হক-কথা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এর জেরে মওলানা ভাসানীকে গ্রেফতারের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এমনকি তাকে হত্যার ষড়যন্ত্রও করা হয়। শেষ পর্যন্ত পত্রিকাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় হক কথার ছাপাখানা। যা নিয়ে তখন কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি।