প্রকৃত ঘটনা হলো আমরা লোকের মারফত সংবাদ পাই গত ১০/০৪/২০২৫ তারিখে বিকালে ভালুকা উপজেলার হাতীবেড় গ্রামের শাহাব উদ্দিনের কন্যা মোছাঃ তাবাসুম (৫) কে তার নানা মফিজুর মাষ্টার এর পরিত্যক্ত বাড়ীতে ধর্ষনের চেষ্টা করে। ঐ দিনে এলাকার ৭ থেকে ৮ জন তাদের বাড়ী সহ লোকজন আনারুল ইসলাম কে উথুরা বাজার থেকে ধরে এনে রাতে মফিজ মাষ্টারের ভিটায় মধ্যযুগী কায়দায় অমানুষিক নির্যাতন করে,তার ডান পা মুরচিয়ে ভেংগে ফেলে এবং মেরুদণ্ডের হাড় ভেংগে ফেলে।নির্যাতনকারীরা তাও করে ক্ষান্ত হয়নি মরিচের গুড়া পানির সাথে মিশিয়ে সিরিজ ভরে আনারুল ইসলামের পায়খানার রাস্তা ও প্রসাবের রাস্তা
ভালুকা, ময়মনসিংহ: গত বুধবার ১৬ এপ্রিল ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক সময়ের কাগজ সহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুbকে স্থানীয় বিভিন্ন পত্রিকায় ভালুকায় পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণ অভিযোগে, ধামাচাপা দিতে , ধর্ষণকারীর পক্ষে অবস্থান, বাদীর পরিবার কে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয় রানী করার সহ ভিন্ন ভিন্ন শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদটি সম্পুর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমরা উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
প্রকৃত ঘটনা হলো আমরা লোকের মারফত সংবাদ পাই গত ১০/০৪/২০২৫ তারিখে বিকালে ভালুকা উপজেলার হাতীবেড় গ্রামের শাহাব উদ্দিনের কন্যা মোছাঃ তাবাসুম (৫) কে তার নানা মফিজুর মাষ্টার এর পরিত্যক্ত বাড়ীতে ধর্ষনের চেষ্টা করে। ঐ দিনে এলাকার ৭ থেকে ৮ জন তাদের বাড়ী সহ লোকজন আনারুল ইসলাম কে উথুরা বাজার থেকে ধরে এনে রাতে মফিজ মাষ্টারের ভিটায় মধ্যযুগী কায়দায় অমানুষিক নির্যাতন করে,তার ডান পা মুরচিয়ে ভেংগে ফেলে এবং মেরুদণ্ডের হাড় ভেংগে ফেলে।নির্যাতনকারীরা তাও করে ক্ষান্ত হয়নি মরিচের গুড়া পানির সাথে মিশিয়ে সিরিজ ভরে আনারুল ইসলামের পায়খানার রাস্তা ও প্রসাবের রাস্তা
দিয়ে নির্যাতন করে।আশংকা জনক অবস্থায় আনারুল কে হাতীবেড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে রেখে যায় নির্যাতনকারীরা। পরে নির্যাতনকারীরা প্রচার দেয় উত্তেজিত জনতা তাকে মারপিট করে ভালুকা থানা পুলিশ কে খবর দেয়, পুলিশ তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে, বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে। এ ঘটনার জের ধরে আমরা এলাকাবাসীদের নিয়ে আমরা বসে আলোচনা করি, আনারুল ইসলাম তদন্ত সাপেক্ষে যুদি প্রমাণিত হয় সে দোষি তার বিচার আমরাও চাই। এ জন্য দেশে আইন আছে আদালত আছে তার বিচার তারা করবে। আর যারা নিজের হাতে আইন তোলে নিয়ে আনারুল ইসলাম কে মধ্যেযুগি কায়দায় নির্যাতন করছে , আইন কে অমান্য করে তাদের কেউ বিচার দাবী করছি। আমাদেরসহ কয়েক জনের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা সাজানো সংবাদ করেন বিএনপির নেতা কর্মিদের নামে। এ ঘটনাটি ভিন্নভাবে সাজিয়ে পত্রিকায় আমাদেরকে ধর্ষণকারীর পক্ষে সম্বোধন করে সংবাদ প্রকাশ করার বিষয়টি মানহানিকর বটে। আমরা উক্ত মানহানিকর মিথ্যা সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।