‎ঢাকা-যশোর রুটে ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ইউএস-বাংলার ফ্লাইট চালু

Mofossal Barta
প্রকাশিত August 25, 2026, 21:26 PM
‎ঢাকা-যশোর রুটে ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ইউএস-বাংলার ফ্লাইট চালু
সংবাদটি শেয়ার করুন....

অনলাইন ডেক্স,

‎বৃহত্তর যশোরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকা-যশোর রুটে পুনরায় ফ্লাইট পরিচালনা করবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।

‎যাত্রীদের বিমান যোগাযোগ আরও সহজ ও সময়সাশ্রয়ী করতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিমান সংস্থাটি।

‎ইউএস-বাংলা জানায়, আগামী ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকা-যশোর রুটে সপ্তাহে তিন দিন—শনিবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার—দুটি করে মোট ছয়টি ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। এ রুটে ৭২ আসনের এটিআর ৭২-৬০০ উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হবে।

‎নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, শনিবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার প্রতিদিন প্রথম ফ্লাইটটি সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে ঢাকা থেকে ছেড়ে সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে যশোরে পৌঁছাবে। একই উড়োজাহাজ সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে যশোর থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে।

‎দ্বিতীয় ফ্লাইটটি প্রতিদিন বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা থেকে ছেড়ে বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে যশোরে পৌঁছাবে। পরে সন্ধ্যা ৬টায় যশোর থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে।

‎ঢাকা-যশোর রুটে ইউএস-বাংলার সর্বনিম্ন একমুখী ভাড়া ৫ হাজার ৭৪৯ টাকা এবং যাওয়া-আসার ভাড়া ১১ হাজার ৪৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব ভাড়ার সঙ্গে প্রযোজ্য ট্যাক্স ও সারচার্জ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

‎২০১৪ সালের ১৭ জুলাই ঢাকা-যশোর রুটে ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশের অভ্যন্তরীণ বিমান যোগাযোগ সম্প্রসারণ এবং বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের সঙ্গে ঢাকার দ্রুত ও নিরাপদ আকাশ যোগাযোগ প্রতিষ্ঠায় কাজ করে আসছে এয়ারলাইন্সটি।

‎বর্তমানে ইউএস-বাংলা দেশের অভ্যন্তরে ঢাকা থেকে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, সিলেট, সৈয়দপুর ও রাজশাহী রুটে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় যশোরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে ঢাকা-যশোর রুটে পুনরায় ফ্লাইট চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

‎এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বৃহত্তর যশোর অঞ্চলের মানুষের বিমান যোগাযোগের চাহিদা, ব্যবসা-বাণিজ্য, চিকিৎসা, শিক্ষা, পর্যটন এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় নিয়ে এ রুটে ফ্লাইট চালু করা হচ্ছে।