অনলাইন ডেক্স,
ঘটনাটিকে সন্দেহভাজন অগ্নিসংযোগ হিসেবে তদন্ত করছে টরন্টো পুলিশ। তবে হামলার পেছনে কী উদ্দেশ্য ছিল, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সালমা জাহিদ ২০১৮ সালে কানাডার হাউস অব কমন্সে নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়েন। তিনি দেশটির পার্লামেন্টে নির্বাচিত প্রথম হিজাব পরিহিত নারী।
হামলার পর অনলাইনে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জাহিদ বলেন, হামলার সম্ভাব্য উদ্দেশ্য নিয়ে তিনি কোনো ধরনের অনুমান করতে চান না। তদন্তের ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করবেন তিনি।
জাহিদ বলেন, ‘তবে এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এটি আমাকে আমার কাজ থেকে বিরত রাখতে পারবে না।’
ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি বলেন, ‘এটি একটি কাপুরুষোচিত সহিংসতা ও ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা। এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কানাডীয় হিসেবে আমরা এমন নই।’
কানাডার মুসলিমদের অধিকার নিয়ে কাজ করা ন্যাশনাল কাউন্সিল অব কানাডিয়ান মুসলিমসও হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
সংগঠনটি এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘এই অগ্নিসংযোগের ঘটনায় কানাডার মুসলিমরা হতবাক, আতঙ্কিত ও ক্ষুব্ধ।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মানবাধিকার এবং সব ধরনের বর্ণবাদের বিরুদ্ধে জাহিদ বছরের পর বছর ধরে সোচ্চারভাবে কাজ করে আসছেন। তার এমন অবস্থানের কারণে মুসলিম সম্প্রদায়ের অনেকেই হামলার ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।
তবে এখন পর্যন্ত পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে বলেনি যে জাহিদের ইসরাইলবিরোধী অবস্থান বা তার ধর্মীয় পরিচয়ের সঙ্গে হামলার কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না। তদন্তের মাধ্যমে হামলার কারণ ও সম্ভাব্য উদ্দেশ্য নির্ধারণের চেষ্টা চলছে।