৩০০ জন পেলেন ক্রীড়া কার্ড, চলতি বছর পাবেন আরও ৫০০: প্রতিমন্ত্রী

Mofossal Barta
প্রকাশিত October 4, 2026, 13:04 PM
৩০০ জন পেলেন ক্রীড়া কার্ড, চলতি বছর পাবেন আরও ৫০০: প্রতিমন্ত্রী
সংবাদটি শেয়ার করুন....

অনলাইন ডেক্স,

খেলোয়াড়দের সামাজিক মর্যাদা ও আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রাথমিকভাবে ৩০০ জন ক্রীড়াবিদকে ‘ক্রীড়া কার্ড’ দেওয়া হয়েছে। চলতি অর্থবছরে এই তালিকায় আরও ৫০০ জন খেলোয়াড়কে যুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
‎
‎রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে ক্রীড়া কার্ডধারী ব্যক্তিদের সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং আনুষঙ্গিক কার্যক্রম গ্রহণসংক্রান্ত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য জানান।
‎
‎যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই ক্রীড়া কার্ড খেলোয়াড়দের সামাজিক মর্যাদা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করবে। আমাদের লক্ষ্য, এই কার্ডের মাধ্যমে খেলোয়ারেরা যেন অন্য মন্ত্রণালয় থেকেও বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা পেতে পারেন। চলতি অর্থবছরের বাজেট বরাদ্দ থেকেই নতুন করে যুক্ত হতে যাওয়া ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে নিয়মিত ভাতা দেওয়া সম্ভব হবে।
‎
‎কার্ড প্রদান প্রক্রিয়ায় গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা আনতে প্রতি চার মাস পর পর এই তালিকায় সংযোজন ও বিয়োজন করা হবে বলে জানান তিনি। ক্রীড়া কার্ড হলো বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের চালু করা একটি বিশেষ স্বীকৃতি ও আর্থিক সুরক্ষা কার্ড, যার মাধ্যমে দেশের জাতীয় স্তরের কৃতি খেলোয়াড়দের পেশাগত স্বীকৃতি ও আর্থিক সুবিধা দেওয়া হয়।
‎এই কার্ডধারক খেলোয়াড়েরা প্রতি মাসে ১ লাখ টাকা করে সরকারি ক্রীড়া ভাতা পান, যা সরাসরি তাদের মোবাইল ব্যাংকিং বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হয়।
‎কার্ড ও ভাতার সুবিধা স্থায়ী নয়; প্রতি চার মাস অন্তর খেলোয়াড়দের মাঠের পারফরম্যান্স বা ক্রীড়াশৈলী মূল্যায়ন করা হয়। পারফরম্যান্স সন্তোষজনক না হলে তালিকা থেকে বাদ পড়ার বা ভাতা স্থগিত হওয়ার নিয়ম রয়েছে।
‎এই কার্ডের মাধ্যমে খেলোয়াড়েরা আন্তর্জাতিক মানের উন্নত প্রশিক্ষণ, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসাসেবা, বিদেশি কোচের অধীনে প্রস্তুতি, এবং স্টেডিয়ামে বিশেষ যাতায়াত বা সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকেন।
‎ফুটবল বা ক্রিকেটের বাইরে থাকা অন্য খেলাধুলার প্রসারে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্রিকেট বা ফুটবলের মতো অন্য খেলাধুলা সেভাবে প্রচার পায় না। ফলে ওই সব খেলায় যুক্ত অ্যাথলেটেরা প্রায়ই অবমূল্যায়নের শিকার হন। আমাদের মূল উদ্দেশ্য, অন্য খেলাধুলার খেলোয়াড়েরা যাতে অসুস্থ হলে সঠিক চিকিৎসা পান, তা নিশ্চিত করা।