‘এক আদেশে ৩২৭ এনজিওর ১০ হাজার কর্মী বেকার’

Mofossal Barta
প্রকাশিত February 22, 2025, 14:37 PM
‘এক আদেশে ৩২৭ এনজিওর ১০ হাজার কর্মী বেকার’

'এক আদেশে ৩২৭ এনজিওর ১০ হাজার কর্মী বেকার'

সংবাদটি শেয়ার করুন....

অনলাইন ডেস্ক: আজ ঢাকা থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকা কালের কন্ঠের শিরোনাম ‘এক আদেশে ৩২৭ এনজিওর ১০ হাজার কর্মী বেকার’।

এতে বলা হচ্ছে, সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও সহযোগিতা কার্যক্রম স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থা ইউএসএআইডি। গত ২৫ জানুয়ারি দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে এসংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ২১ জানুয়ারি এ বিষয়ে একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেন। এরপর বাংলাদেশে রোহিঙ্গা সহায়তা ছাড়া ইউএসএআইডির বাকি সব কার্যক্রম আপাতত তিন মাসের জন্য গুটিয়ে নেওয়া হয়েছে।

এতে বাংলাদেশের প্রায় ৩২৭ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) ১০ হাজার কর্মী বেকার হয়ে পড়েছেন। হঠাৎ চাকরি হারিয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবেশসহ একাধিক সহায়তা কার্যক্রম ঝুঁকিতে।

এনজিও বিষয়ক ব্যুরো সূত্র জানায়, দেশের ২৭৪টি এনজিও বিভিন্ন দেশ থেকে তহবিল (ফান্ড) পেয়ে থাকে।

এর মধ্যে ইউএসএআইডির ফান্ড পেত ৮৭টি এনজিও। এসব ডোনার এজেন্সির (দাতা সংস্থা) মাধ্যমে দেশে প্রায় ২৪০টি এনজিওর প্রকল্প পরিচালিত হতো। সেই হিসাবে ৩২৭টি এনজিওর ইউএসএআইডির ফান্ড স্থগিত হয়েছে।

‘জুলাই হত্যাকাণ্ডের আসামি: নেতা-কর্মীদের ‘বিশেষ’ তালিকা করছে পুলিশ’ আজকের পত্রিকার শিরোনাম।

এতে বলা হচ্ছে, বিভিন্ন মামলার আসামি এবং গ্রেপ্তার হওয়া ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ এবং এর ভ্রাতৃপ্রতিম ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের একটি ‘বিশেষ’ তালিকা তৈরি করছে পুলিশ কর্তৃপক্ষ।

পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে কাজটি করছেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও পুলিশের বিশেষ শাখার (ডিএসবি) সদস্যরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং গ্রেপ্তার আসামিদের জামিন আইনি প্রক্রিয়ায় ঠেকাতে কেন্দ্রীয়ভাবে এই তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।

পুলিশের প্রক্রিয়াধীন তালিকায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলা, জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর ও মোবাইল ফোনের নম্বর থাকছে।

তাদের জামিন প্রতিরোধে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে বিরোধিতা করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

পুলিশ সদর দপ্তর, জেলা পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা ও পাবলিক প্রসিকিউটর সূত্রে এ তথ্য বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

দৈনিক যুগান্তর
‘আইনশৃঙ্খলার এত অবনতি কেন’ যুগান্তরের শিরোনাম। এতে বলা হচ্ছে, রাজধানীসহ সারা দেশে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধ। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির সূচক ক্রমেই ওপরে উঠে যাচ্ছে।

পাড়া-মহল্লার গলিপথ থেকে শুরু করে রাস্তাঘাট সর্বত্র এখন ছিনতাই আতঙ্ক ভর করেছে।

সন্ধ্যা নামলেই চারদিকে ছিনতাই-ডাকাতির আতঙ্কে সাধারণ মানুষ বাইরে বের হতে ভয় পায়।

খোদ রাজধানীতে শত শত মানুষের সামনে রামদা দিয়ে রিকশা আরোহীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার মতো ঘটনা ঘটছে। এমনকি বাসের মধ্যেও কেউ এখন নিজেকে নিরাপদ ভাবতে পারছেন না।

ডাকাতি করে সর্বস্ব লুট করা ছাড়াও ধর্ষণের মতো পৈশাচিক ঘটনা ঘটছে। প্রতিদিনই সারা দেশে এ রকম অপরাধ চিত্র বাড়ছে।

তবে এত পুলিশ থাকার পরও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কেন এত অবনতি হচ্ছে-সেটি নিয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ আর প্রশ্নের শেষ নেই।

বিশ্লেষকদের অনেকেই মনে করেন, পেশাদার পুলিশিং হচ্ছে না বলেই এমনটি হচ্ছে। বিশেষ করে পুলিশ বাহিনীতে ঘাপটি মেরে থাকা গণ-অভ্যুত্থানবিরোধী পুলিশ সদস্যদের গাফিলতির কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাচ্ছে না।

তাদের মতে, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে এ বাহিনীতে নিয়োগের সময় একেবারে বেছে বেছে আওয়ামীপন্থিদের চাকরি দেওয়া হয়েছে। এ কারণে চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার ওপর সেসব দলীয় পুলিশ সদস্যের ভয়ঙ্কর রূপ দেশের মানুষ প্রত্যক্ষ করেছে।

এ কারণে পুলিশ বাহিনীর বর্তমান আইজিসহ পুলিশের একটি অংশ শত চেষ্টা করেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছেন না।

দৈনিক সমকাল
‘আইসিইউ সেবা: বেসরকারিতে বাণিজ্য সরকারিতে নৈরাজ্য’। এটি সমকালের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, সরকারি হাসপাতালে শক্ত তদবির ছাড়া মিলছে না মুমূর্ষু রোগীর নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) বরাদ্দ। কোনো কোনো ক্ষেত্রে লাগছে ঘুষও।

আর বেসরকারি হাসপাতালে এই সেবার নামে কাটা হচ্ছে রোগী ও স্বজনের পকেট। সমন্বয়হীনতার কারণে সরকারের কোনো উদ্যোগই কাজে আসছে না। উল্টো বেড়েছে আইসিইউতে নৈরাজ্য।

জনস্বাস্থ্য বিশ্লেষকরা বলছেন, এভাবে চলতে থাকলে পরিস্থিতি আরও বিপৎসংকুল হতে পারে। সরকারের উচিত এখনই আইসিইউর ব্যাপারে সুচিন্তিত পদক্ষেপ নেওয়া। বিশেষ করে অচল আইসিইউ সচল করার ব্যাপারে জোর দেওয়া উচিত।

এখন সারাদেশে আইসিইউর শয্যা আছে ১ হাজার ১৯৫টি। এর মধ্যে ৭৫ শতাংশই রাজধানী ঢাকায়। সবচেয়ে ভয়ংকর তথ্য হলো, ৩৪ জেলা শহরেই নেই জটিল রোগীর জন্য আইসিইউর ব্যবস্থা।

ফলে দেশের নানা প্রান্ত থেকে অনেক মুমূর্ষু রোগী ছোটেন রাজধানীর দিকে। শারীরিক পরিস্থিতি বেশ জটিল হলে অনেক রোগীর প্রাণ নিভে যায় পথেই। ঢাকামুখী রোগীর চাপ কমাতে করোনা মহামারিতে প্রতি জেলায় ১০ শয্যার আইসিইউ তৈরির উদ্যোগ নেয় সরকার।

পরে ২৭ জেলায় স্থাপনও করা হয় আইসিইউ ইউনিট। তবে এর মধ্যে ১৮টিই সচল করা যায়নি। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়েছে গত ডিসেম্বরে।

দৈনিক প্রথম আলো
‘নতুন দলের শীর্ষ ছয়টি পদ নিয়ে ‘সমঝোতা” এটি প্রথম আলোর শিরোনাম।

জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে আত্মপ্রকাশ করতে যাওয়া নতুন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ ছয়টি পদে কারা আসছেন, তা অনেকটাই চূড়ান্ত হয়েছে।

দলের সাংগঠনিক কাঠামোতে ‘সমঝোতার’ ভিত্তিতে নতুন দুটি পদও সৃষ্টি করা হচ্ছে। আহ্বায়ক, সদস্যসচিব, মুখপাত্র এবং মুখ্য সংগঠকের পাশাপাশি জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব নামে দুটি পদ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সামনের সারিতে থাকা ছাত্রনেতারাই নতুন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ পদগুলোতে আসছেন।

এই দলের আহ্বায়ক পদে নাহিদ ইসলামের মনোনয়ন নিয়ে শুরু থেকেই জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের কারও কোনো আপত্তি ছিল না। সদস্যসচিব হিসেবে কে আসবেন, মূলত তা নিয়ে মতবিরোধ ছিল।

সমঝোতার ভিত্তিতে এই পদে আখতার হোসেনের নাম অনেকটাই চূড়ান্ত। তিনি এখন জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্যসচিব।

নতুন দলের আহ্বায়কের দায়িত্ব নিতে যেকোনো সময় অন্তর্বর্তী সরকার থেকে পদত্যাগ করতে পারেন উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম। দলের মুখ্য সংগঠক ও মুখপাত্র পদে দেখা যেতে পারে সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহকে।

অন্যদিকে জাতীয় নাগরিক কমিটিতে থাকা ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতাদের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক পদে আলী আহসান জোনায়েদের (শিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি) নাম বিবেচনায় আছে।

আর দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব পদে আসতে পারেন জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখপাত্র নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

দৈনিক নয়াদিগন্ত 
‘বৈষম্যমুক্ত সমাজের অঙ্গীকার’ এটি নয়া দিগন্তের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, অমর একুশে

ফেব্রুয়ারিতে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সর্বস্তরের মানুষ।

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার রাতের প্রথম প্রহর থেকেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মানুষের ঢল নামে।

ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথে দলে দলে মানুষ ফুল নিয়ে শহীদ মিনারে আসেন। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তারা ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন ও সব শ্রেণিপেশার মানুষ শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণে শামিল হন।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রথমে ফুল দিয়ে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা ১০ মিনিটের ব্যবধানে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে ভাষাশহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিরা শ্রদ্ধা জানান।

এরপর একে একে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্টদূত, কূটনীতিক ও হাইকমিশনাররা এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনাররা শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

পর্যায়ক্রমে তিন বাহিনীর পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রধানরা।

দৈনিক ইত্তেফাক
‘রাজধানীতে চাপাতি আতঙ্ক, নেপথ্যে কিশোর গ্যাং’ ইত্তেফাকের শিরোনাম

এতে বলা হচ্ছে, প্রায় এক দশক ধরে রাজধানীসহ সারা দেশে দাপিয়ে বেড়ানো কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের হাতে এখন উঠে এসেছে চাপাতি। পাড়া-মহল্লায় দিনে-দুপুরে চাপাতি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ছে ওরা।

পাঁই অগাস্ট সরকার পতনের পর রাজধানীর অলিগলি থেকে শুরু করে রাজপথ পর্যন্ত চাপাতি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।

এলাকার আধিপত্য বিস্তার থেকে শুরু করে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, এমনকি খুনোখুনির ঘটনাও ঘটছে এই চাপাতি বাহিনীর হাতে। এতে আতঙ্কিত রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহর-পাড়া-মহল্লার বাসিন্দারা।

পুলিশ সদর দপ্তর সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, সম্প্রতি এই কিশোর গ্যাংয়ে নতুন করে যুক্ত হয়েছে চাপাতি বাহিনী। সারা দেশেই তাণ্ডব চালাচ্ছে তারা।

রাত যত গভীর হয়, অলিগলিতে এদের চকচকে চাপাতির প্রদর্শন দেখা যায়। সঙ্গে চলে কিশোর গ্যাংয়ের দোর্দণ্ড প্রতাপ।

ভয়ে সাধারণ নাগরিকরা মুখ খুলছে না। দেশে ২৩৭টির মতো কিশোর গ্যাং গ্রুপ রয়েছে। এর মধ্যে