অনলাইন ডেক্স,
রাজধানীর কাজীপাড়া-শেওড়াপাড়া এলাকায় পিংক বাসের ধাক্কায় একটি ল্যাম্পপোস্ট ভেঙে যাওয়ার ঘটনায় বাসটি আটক করে রাখে ট্রাফিক পুলিশ। এ সময় বাসের নারীচালকের সঙ্গে পুলিশের বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে কাজীপাড়া-শেওড়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর পিংক বাসটি আটকে রাখে ট্রাফিক পুলিশ। নারীচালকের অভিযোগ, ল্যাম্পপোস্ট ভেঙে যাওয়ার ঘটনায় তাদের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায়ের চেষ্টা করা হয়।
ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত আমাদের বাসটি আটকে রাখা হয়। আমাদের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা আদায় করার জন্যই গাড়ি আটকে রাখা হয়েছে।’
ল্যাম্পপোস্ট ভাঙার প্রশ্নে অন্য এক পরিবহনের বাসকে দুষলেন পিংক বাসচালক।
তিনি বলেন, ‘বসুমতি বাস আমাদের চাপ দিয়েছে। তাই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। (এটা শুনে) ট্রাফিক পুলিশ আমাদের বলেন, চাপ সামলাতে পারেন না তাহলে কেন বাস চালাতে নামছেন।’
এ সময় ট্রাফিক পুলিশের সদস্যকে বলতে শোনা যায়, ‘আপনি একটা দুর্ঘটনা ঘটিয়েছেন, এটা আপনাকে সমাধান করতে হবে না।’
এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক পুলিশের সদস্য। তিনি বলেন, ‘২০ হাজার টাকা আমি চাইব কেন? টাকা চাইছে ঠিকাদার। এটা কি আমার সিগন্যাল? আমার কর্তৃপক্ষ বলেছে বাসটা থাকবে।’
এ সময় চালক ও ট্রাফিক পুলিশের মধ্যে আরও বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ট্রাফিক পুলিশ বাসচালকের কাছে বসুমতি বাসটির নম্বর জানতে চান এবং বলেন, ‘নম্বর পেলে ওই বাসটিও আটক করা হবে।’
জবাবে পিংক বাসের নারীচালক বলেন, ‘আপনি সিসিটিভি ক্যামেরা চেক করেন। আমি কীভাবে নম্বর দেব? আমাদের ড্রাইভিংয়ের সময় মোবাইল ব্যবহার করা নিষেধ। তাহলে আমরা কীভাবে বসুমতি বাসের নম্বর নেব?’
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঘটনার পর তারা ট্রাফিক পুলিশের কাছে বিষয়টি জানালেও বসুমতি বাসটি আটক করা হয়নি। বরং তাদের বাসটি আটক করা হয়েছে।
চালক বলেন, ‘অভিযোগ যখন জানিয়েছি, চাইলে তখনই ওই বাসটা আটকাতে পারত। কিন্তু সেটি না করে আমাদের গাড়িটা আটকালো।