ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন শুরু, চালকদের লাইসেন্স ও ভাড়া নিয়ে যে তথ্য জানালেন প্রতিমন্ত্রী

Mofossal Barta
প্রকাশিত November 3, 2026, 12:19 PM
ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন শুরু, চালকদের লাইসেন্স ও ভাড়া নিয়ে যে তথ্য জানালেন প্রতিমন্ত্রী
সংবাদটি শেয়ার করুন....

অনলাইন ডেক্স,

দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশনে ব্যাটারিচালিত ৩ চাকার ই-রিকশার নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রথমে যানবাহনগুলোকে আইনি নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর আওতায় আনার পরিকল্পনা করেছে সরকার। পরে পর্যায়ক্রমে ভাড়া নির্ধারণ ও চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) থেকে নিবন্ধন শুরু হয়েছে।
‎
‎এর আগে রোবার (১ নভেম্বর) সচিবালয়ে সিটি করপোরেশন এলাকায় ধীরগতির ব্যাটারিচালিত তিন চাকার যান (ই-রিকশা) চলাচল-সংক্রান্ত বিধিমালা নিয়ে ব্রিফিংয়ে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, ‘বহু বছর ধরে কোনো আনুষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণ কাঠামো ছাড়াই চলাচল করা ই-রিকশাগুলোকে নিবন্ধনের মাধ্যমে আইনি ব্যবস্থাপনায় আনা হবে। ২০২৬ সালে জাতীয় সংসদে স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯ সংশোধনের মাধ্যমে ই-রিকশা নিবন্ধনের আইনি ভিত্তি তৈরি করা হয়েছে।’
‎
‎তিনি বলেন, ‘আইনের ১২০ ধারায় এ-সংক্রান্ত বিধান যুক্ত করা হয়েছে। বিধিমালা প্রণয়নের পর আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষে তা সরকারি গেজেটে প্রকাশ করা হয়েছে। ফলে নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করতে এখন আর কোনো আইনি বাধা নেই।’
‎
‎ব্রিফিংয়ে নিবন্ধন-সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্য জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। নিচে সেগুলো বিষয়ে আলোচনা করা হলো।
‎
‎নিবন্ধন ও নবায়ন ফি: নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, দুই যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার নিবন্ধন ফি আট হাজার টাকা। ফিটনেস পরীক্ষা শেষে এক বছর পর নবায়ন করতে ফি দিতে হবে চার হাজার টাকা। চার যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার নিবন্ধন ফি ১০ হাজার টাকা। এক বছর পর নবায়ন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০০ টাকা।
‎
‎বিধিমালা অনুযায়ী, একটি ই-রিকশা সর্বোচ্চ ১২ বছর চলাচল করতে পারবে। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনের দেওয়া কিউআর কোডযুক্ত ফিটনেস সনদ প্রদর্শনের জন্য অতিরিক্ত এক হাজার টাকা ফি দিতে হবে।
‎
‎উৎপাদন নিয়ন্ত্রণে কমিটি: ই-রিকশা উৎপাদন তদারকি এবং প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুমোদনের সুপারিশ করতে সরকার সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। স্থানীয় সরকার বিভাগ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), সিটি করপোরেশন, পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ ও জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিদের নিয়ে কমিটিটি গঠন করা হয়েছে।
‎
‎শাহে আলম বলেন, ‘বুয়েটের অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী ই-রিকশা তৈরি করতে হবে। বর্তমানে চলাচল করা ই-রিকশাগুলোকেও অনুমোদিত নকশার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিবর্তন করতে হবে।