আবরার হত্যার ৭ বছর: মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি কতদূর?

Mofossal Barta
প্রকাশিত October 7, 2026, 16:35 PM
আবরার হত্যার ৭ বছর: মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি কতদূর?
সংবাদটি শেয়ার করুন....

অনলাইন ডেক্স,

অসম চুক্তি ও পানি আগ্রাসনের অভিযোগ তুলে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার জেরে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার সাত বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের একটি কক্ষে নিয়ে তাকে নির্মমভাবে নির্যাতন করেন ছাত্রলীগের (বর্তমানে নিষিদ্ধ সংগঠন) কিছু নেতাকর্মী। পরে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
‎
‎চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলায় ২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর ২০ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১। পরে হাইকোর্টও একই সাজা বহাল রাখেন। বর্তমানে দণ্ডিত আসামিদের আপিল ও মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায়। রাষ্ট্রপক্ষ বলছে, মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আপিল বিভাগে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানির উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়।
‎
‎যেভাবে ঘটেছিল আবরার হত্যাকাণ্ড
‎২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের আবাসিক ছাত্র ও তড়িৎ কৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে হলের একটি কক্ষে ডেকে নেওয়া হয়। ভারত-বাংলাদেশের অসম চুক্তি ও পানি বণ্টন নিয়ে ফেসবুকে দেওয়া তার একটি স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে তাকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কয়েক ঘণ্টা ধরে মারধর করেন। একপর্যায়ে নির্যাতনের শিকার হয়ে আবরার মারা যান। পরদিন ৭ অক্টোবর তার বাবা বরকত উল্লাহ চকবাজার থানায় ১৯ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
‎
‎মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তৎকালীন পরিদর্শক মো. ওয়াহিদুজ্জামান মাত্র ৩৭ দিনে তদন্ত শেষ করে ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
‎
‎২০ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৫ জনের যাবজ্জীবন
‎দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় ২০ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান।