পঞ্চগড়-কক্সবাজার সরাসরি ট্রেন চালুতে সরকারের বড় উদ্যোগ

Mofossal Barta
প্রকাশিত October 27, 2026, 10:26 AM
পঞ্চগড়-কক্সবাজার সরাসরি ট্রেন চালুতে সরকারের বড় উদ্যোগ
সংবাদটি শেয়ার করুন....

অনলাইন ডেক্স,

দেশের উত্তর সীমান্তঘেঁষা পঞ্চগড় থেকে দক্ষিণের পর্যটননগরী কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি রেল চালুর পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে এই যোগাযোগের প্রচলিত মানচিত্রে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
‎বাংলাদেশ রেলওয়ে উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের রেল নেটওয়ার্ককে কার্যকরভাবে যুক্ত করতে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দিয়ে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এর সঙ্গে ডুয়েলগেজ ও ব্রডগেজ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, নতুন লোকোমোটিভ ও কোচ সংগ্রহ, নিরাপত্তা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, ডিজিটাল যাত্রীসেবা ও পরিবেশ সুরক্ষার কর্মসূচিও সমন্বিতভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
‎
‎
‎প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চালুর লক্ষ্য সামনে রেখে পশ্চিমাঞ্চলের বগুড়া-সিরাজগঞ্জ কর্ড লাইন ও শান্তাহার-বগুড়া লিংক এবং পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম- দোহাজারী, টঙ্গী-আখাউড়া ও লাকসাম-চট্টগ্রাম রেলপথ উন্নয়ন প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
‎
‎রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম এ বিষয়ে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস’কে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চালুর লক্ষ্য নিয়ে এসব প্রকল্প সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে শুধু পঞ্চগড়ই নয়, রাজশাহী, চিলাহাটি ও অন্যান্য ব্রডগেজ রুট থেকেও কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টি হবে। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে পঞ্চগড়সহ উত্তরাঞ্চলের ট্রেনগুলো ঢাকার দিকে যেতে ঈশ্বরদী হয়ে দীর্ঘ ঘুরপথ অতিক্রম করে। বগুড়া-সিরাজগঞ্জ কর্ড লাইন ও শান্তাহার-বগুড়া লিংক বাস্তবায়িত হলে এ ঘুরপথের প্রায় ১১২ কিলোমিটার কমে যাবে। এতে পঞ্চগড়, বুড়িমারী, লালমনিরহাট, দিনাজপুর ও চিলাহাটিসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন রুটের যাত্রাপথ ছোট হওয়ার পাশাপাশি প্রায় তিন থেকে চার ঘণ্টা সময় সাশ্রয় হবে বলে তিনি জানান। এর ফলে উত্তরাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য যোগাযোগে গতিশীলতা আসবে। রাজধানীসহ সারাদেশে কম খরছে ও দ্রুততম সময়ের মধ্যে পণ্য পরিবহন সমআভব হবে।
‎
‎
‎বগুড়া-সিরাজগঞ্জ ডুয়েলগেজ রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পটি সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব বলেন, প্রকল্পের জন্য ইতোমধ্যেই ৯০১ একর ভূমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে এবং বগুড়া ও সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসন অধিগ্রহণকৃত ভূমি রেলওয়েকে বুঝিয়ে দিয়েছে। সংশোধিত ডিপিপি পুনর্গঠন করে একনেকের অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে।