প্রতিমন্ত্রী টুকুর উদ্যোগে লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন টাঙ্গাইলের দুই যুবক

Mofossal Barta
প্রকাশিত October 27, 2026, 13:19 PM
প্রতিমন্ত্রী টুকুর উদ্যোগে লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন টাঙ্গাইলের দুই যুবক
সংবাদটি শেয়ার করুন....

অনলাইন ডেক্স,

পরিবারের দুশ্চিন্তা আর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন টাঙ্গাইলের দুই যুবক।
‎
‎তাদের অবস্থান শনাক্ত ও দেশে ফিরিয়ে আনতে স্বজনদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
‎
‎তার উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত প্রচেষ্টায় মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ৭টায় বুরাক এয়ারের UZ222 ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান ওই দুই যুবক।
‎
‎ফিরে আসা দুই যুবক হলেন- টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের কাকুয়া গ্রামের ফজলু হকের ছেলে মো. সবুজ আলী (২২) এবং আব্দুল মালেকের ছেলে মেহেদী হাসান (২৩)।
‎
‎পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইতালিতে নেওয়া ও কাজ দেওয়ার আশ্বাসে বিদেশে যান সবুজ ও মেহেদী। সৌদি আরব ও মিসরসহ কয়েকটি দেশ ঘুরিয়ে তাদের লিবিয়ায় নেওয়া হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর বিভিন্ন অজুহাতে তাদের পরিবারের কাছ থেকে ধাপে ধাপে মোট ৩২ লাখ টাকা আদায় করা হয় বলে অভিযোগ। প্রায় সাত মাস পর লিবিয়ার পুলিশ তাদের আটক করে। এরপর তাদের ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়।
‎
‎পরিবারের অভিযোগ, তাদের বিদেশে পাঠানোর সঙ্গে টাঙ্গাইল শহরের ঘারিন্দা এলাকার কাইয়ুম ও এলেঙ্গা এলাকার আমিন জড়িত। কাইয়ুম পেশায় সিএনজিচালক। স্বজনদের দাবি, কাইয়ুমের আত্মীয় আমিনও এ প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিলেন। দেশে ফিরিয়ে আনার আশ্বাস দেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন না করে একপর্যায়ে দুই যুবককে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
‎
‎মেহেদী হাসানের পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ২৬ আগস্ট পর্যন্ত তার সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। এরপর যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেলে তার অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও তার খোঁজ পাননি স্বজনেরা।
‎
‎এ অবস্থায় প্রায় দুই মাস আগে সবুজ আলীর বড় ভাই মালয়েশিয়াপ্রবাসী রিপন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য-প্রমাণ পাঠান। পরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে দুই যুবকের অবস্থান শনাক্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়। একপর্যায়ে তাদের লিবিয়ার তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে আটক থাকার তথ্য জানতে পারেন পরিবারের সদস্যরা।
‎
‎মালয়েশিয়া থেকে মুঠোফোনে রিপন আহমেদ বলেন, আগস্টের শেষে ভাইয়ের সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর আমি নিরুপায় হয়ে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করি। তিনি আমার কথা শুনেছেন এবং সহযোগিতার উদ্যোগ নিয়েছেন। তার সহায়তা না পেলে ভাই কোথায় আছে, সেটিও হয়তো জানতে পারতাম না। তার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।