রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি:
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ১০ অক্টোবর ২০২৬,২ নম্বর নোয়াগাঁও ইউনিয়নে উদয়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাউধেরখিল উচ্চ বিদ্যালয়ে এ পরীক্ষার আয়োজন করা হয়। এতে ইউনিয়নের চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান—পানিয়ালা উচ্চ বিদ্যালয়, নোয়াগাঁও জনকল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়, সাউধেরখিল উচ্চ বিদ্যালয় ও হোটাটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।
পরীক্ষায় চারটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে পানিয়ালা উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সায়েমা আক্তার। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে নোয়াগাঁও জনকল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী রুবাইয়াত হাসনাত। তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে সাউধেরখিল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান।
এ ছাড়া প্রতিটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে বিদ্যালয়ভিত্তিক প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদের পুরস্কার প্রদান করা হয়, মোট ১৫ জন শিক্ষার্থী পুরস্কৃত হয়েছে।
মাওলানা জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে এবং ইঞ্জিনিয়ার সাব্বির হোসেন দেলোয়ারের সঞ্চালনায়,ফাউন্ডেশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. মোবারক হোসেনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সাউধেরখিল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম, নোয়াগাঁও জনকল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হুমায়ূন কবির, স্কলার্স সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক নুর আলম, উদয়ন ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা সিদ্দিকুর রহমান ভূঁইয়া,উদয়ন ফাউন্ডেশনে সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ পারভেজ , সাউধেরখিল ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন, বিএনপি নেতা মোশারফ হোসেন এবং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মন্নান কামারসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা।
অনুষ্ঠানে উদয়ন ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন ফাউন্ডেশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. মোবারক হোসেন।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ নোয়াগাঁও জনকল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি আবুল হাসেম পাটোয়ারী, সাউধেরখিল উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মিজানুর রহমান, হোটাটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি খান মো. মহসিন এবং পানিয়ালা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন আহমেদ।
প্রধান অতিথি আকর্ষণ হিসেবে বক্তব্য দেন সাউধেরখিল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম। এ সময় অন্যান্য অতিথিরাও বক্তব্য দেন।
শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ, পড়াশোনায় আগ্রহ বৃদ্ধি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।