বাঁচানো গেল না চরের একমাত্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি

Mofossal Barta
প্রকাশিত August 19, 2026, 11:47 AM
বাঁচানো গেল না চরের একমাত্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি
সংবাদটি শেয়ার করুন....

অনলাইন ডেক্স,

‎নদীভাঙনের ছোবলে প্রতিবছর হাজার হাজার মানুষ ভিটেমাটি, ফসলি জমি ও সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ছেন। গাইবান্ধায় নদীর পানি হ্রাস-বৃদ্ধির কারণে সৃষ্টি হওয়া তীব্র স্রোতে নদীর তীরবর্তী এলাকা ও চরাঞ্চল ভেঙে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এতে করে ভাঙ্গন ঝুঁকিতে রয়েছে শত শত সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ নানা স্থাপনা।

‎গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ভাঙনের হাত থেকে শেষ পর্যন্ত রক্ষা পেল না ভোরের পাখি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি। নদী ভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় বিদ্যালয়টি এখন বাধ্য হয়ে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সময়মতো ব্যবস্থা না নেওয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

‎স্থানীয়রা জানান, বিদ্যালয়টি চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের একমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। নদীভাঙনে আশপাশের এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিদ্যালয়টি রক্ষায় দীর্ঘদিন ধরে দ্রুত পদক্ষেপের দাবি জানিয়ে আসছিলেন তারা। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইউপি চেয়ারম্যান, ইউএনও, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছিলেন। তবে বাস্তবে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

‎সর্বশেষ গত ৮ আগস্ট পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করায় বিদ্যালয়টি রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপের আশা করেছিলেন স্থানীয়রা। কিন্তু সেই আশাও শেষ পর্যন্ত হতাশায় পরিণত হয়েছে। নদীভাঙ্গন থেকে বিদ্যালয়টি রক্ষা করা সম্ভব না হওয়ায় তা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের অবহেলার কারণেই শেষ পর্যন্ত বিদ্যালয়টি রক্ষা করা গেল না বলে অভিযোগ তাদের।

‎স্থানীয় যুবক কামাল হোসেন বলেন, শুকনো মৌসুমে নদীভাঙ্গন রোধে কাজ করা হলে বিদ্যালয়টিকে আজ অস্তিত্ব হারাতে হতো না।