যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারের পাশে আছে: সারাহ আলড্রিচ

Mofossal Barta
প্রকাশিত September 2, 2026, 12:11 PM
যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারের পাশে আছে: সারাহ আলড্রিচ
সংবাদটি শেয়ার করুন....

অনলাইন ডেক্স,

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ আলড্রিচ বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমানে একটি নির্বাচিত সরকার দেশ পরিচালনা করছে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারের পাশে আছে এবং যে কোনো সহায়তা  দিতে প্রস্তুত।

‎জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী স্মরণে গত ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাসে স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সারাহ আলড্রিচ এ কথা বলেন। এ সময় তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থী-জনতার আত্মদানের কথা স্মরণ করেন। ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস উইং থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

‎সারাহ আলড্রিচ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী নানা জটিলতা অতিক্রম করে অন্তর্বর্তী সরকার অল্প সময়ের মধ্যে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক শক্তিশালী হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কও জোরদার করতে চায়। তিনি জুলাইয়ের চেতনায় দেশকে কৃষি, অর্থনীতি ও রাজনৈতিক খাতে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান। বাংলাদেশের ক্রমশ উন্নতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

‎অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আটলান্টিক কাউন্সিলের সিনিয়র ফেলো মাইকেল কুগেলম্যান বলেন, বাংলাদেশের তরুণ জেন-জিরা গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে পরিবর্তনের সূচনা করেছেন, তা বিশ্বের বহু দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। সেই দিক থেকে বাংলাদেশের জুলাই গণঅভ্যুত্থান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
‎অনুষ্ঠানের শুরুতে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরিয়ে আনা, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে গুণগত পরিবর্তন এবং বৈষম্য দূরীকরণের লক্ষ্যে জীবনদানকারী শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ওপর নির্মিত তথ্যচিত্র ‘জুলাইকন্যা’ প্রদর্শন করা হয়।

‎অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ও অন্যান্য সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।