অনলাইন ডেক্স,
শেষ পর্যন্ত শ্রীলঙ্কা থেকে সরেই গেল মেয়েদের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। ২০২৭ সালে হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টের আয়োজক হবে ভারত। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি) গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছে এই তথ্য। একই সঙ্গে টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী ছয় দল ও ভেন্যুর নামও উল্লেখ করা হয়েছে। আগামী বছর প্রথমবারের মতো হতে যাওয়া নারী চ্যাম্পিয়নস ট্রফি হওয়ার কথা ছিল শ্রীলঙ্কায়। কিন্তু সরকারি হস্তক্ষেপের কারণে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট (এসএলসি) হারিয়েছে আয়োজকস্বত্ব। তবু টি-টোয়েন্টি সংস্করণে হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টে থাকছে শ্রীলঙ্কা। কারণ, নারী টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ের প্রথম ছয় দল অংশ নেবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে। ৬ জুলাই কাট অফ ডেটে র্যাঙ্কিংয়ের ছয় নম্বরে ছিল বলেই লঙ্কানরা থাকছে এই টুর্নামেন্টে। চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে অংশগ্রহণ করা অন্য পাঁচ দল হলো অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ভারত, নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রায় দুই মাস আগের আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ ছিল আট ও দশ নম্বরে।
এমনকি নারী চ্যাম্পিয়নস ট্রফি হতে পারত বাংলাদেশেই। কিন্তু আইসিসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত—এই তিন দেশ মূল্যায়ন করা হয়েছে। গত পরশু আইসিসি বোর্ড ভারতকে আয়োজনের অনুমতি দিয়েছে। বিবৃতিতে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার চেয়ারম্যান জয় শাহ বলেন, ‘২০২৭ নারী চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি মেয়েদের ক্রিকেটের জন্য রোমাঞ্চকর এক নতুন অধ্যায়ের শুরু করবে। প্রথমবারের মতো হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টে বিশ্বের সেরা দলগুলোকে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও উচ্চমানের একটি প্রতিযোগিতা উপহার দিতে পারবে।’
আগামী বছরের ১৪ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি ভারতে হবে নারী চ্যাম্পিয়নস ট্রফির প্রথম মৌসুম। মুম্বাইয়ের ব্র্যাবোর্নের ক্রিকেট ক্লাব অব ইন্ডিয়া, ভাদোদারা—এই দুই ভেন্যুতে হবে আইসিসির এই ইভেন্ট। ব্র্যাবোর্নে সবশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয়েছিল ২০২২ সালের ডিসেম্বরে। সে সময় ভারতীয় নারী দল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলেছিল। ২০২৩ সালে স্টেডিয়ামটি নারী প্রিমিয়ার লিগের (ডব্লুপিএল) প্রথম মৌসুম আয়োজন করেছিল। ২০২৫ ডব্লুপিএলেও এখানে কয়েকটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। অন্যদিকে ২০২৫ ও ২০২৬ সালে ভাদোদারাতেও ডব্লুপিএলের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আইসিসি রাজনৈতিকভাবে নিয়োগ করা কোনো প্রশাসনকে স্বীকৃতি দেয় না। রূপান্তরকরণ কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এসএলসির প্রতিনিধিরা আইসিসির বোর্ড সভাগুলোতেও অংশ নিচ্ছেন না।