কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:ফয়সাল সিকদার,
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানায় মোটরসাইকেল সংক্রান্ত অভিযোগ দায়েরের পাঁচ দিন পরও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ।
তাঁর দাবি, সময়মতো পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়া হলে তাকে পরবর্তীতে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা গুনতে হতো না।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, মোটরসাইকেল নিয়ে বিরোধের ঘটনায় তিনি কসবা থানায় অভিযোগ করেন। কিন্তু অভিযোগ দায়েরের পরও দীর্ঘ পাঁচ দিন কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় বিষয়টি জটিল হয়ে পড়ে।
পরে তাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) ওই সংবাদকর্মী একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি বলে দাবি করা হয়েছে।
পরবর্তীতে বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরাও ওসির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন বলে জানা যায়। তাদের ফোনও তিনি রিসিভ করেননি বলে অভিযোগ।
পরে অন্য একটি থানার একজন কর্মকর্তার মাধ্যমে ওসির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, ওই সংবাদকর্মীর সাংবাদিক পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এমনকি তিনি ‘মাদকের পক্ষে’ সংবাদ করেন—এমন মন্তব্যও করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
তবে এ বক্তব্যের সত্যতা ও প্রেক্ষাপট স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এখন প্রশ্ন উঠছে—ভুক্তভোগীর মোটরসাইকেল সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের করণীয় কী ছিল এবং অভিযোগের নিষ্পত্তির পরিবর্তে অভিযোগকারী বা সংবাদকর্মীর পরিচয় নিয়ে আলোচনা কেন সামনে আসছে?
সংশ্লিষ্টদের দাবি, ব্যক্তির পরিচয় বা সংবাদকর্মীর কর্মকাণ্ড নিয়ে বিতর্কের বাইরে গিয়ে মূল অভিযোগটি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা বের করা প্রয়োজন।
একই সঙ্গে ৪০ হাজার টাকা জরিমানার কারণ ও এর সঙ্গে থানায় দায়ের করা অভিযোগের কোনো সম্পর্ক আছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তারা।
তবে প্রতিবেদনে কসবা থানার ওসির বক্তব্য অবশ্যই যুক্ত করা উচিত। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পাঠকের সামনে তুলে ধরা হবে।