অনলাইন ডেক্স,
চলতি সপ্তাহে রাজধানীর বাজারগুলোতে মাছ, মাংস ও ডিমের দামে তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে এসব পণ্য। তবে শীতের আগাম সবজি শিমের দাম উঠেছে কেজিপ্রতি ২০০ টাকায়। তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যাচ্ছে পেঁপে, বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা কেজি দরে।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেগুন, করলা, বরবটি, ঢ্যাঁড়স, পটল ও কাঁকরোলসহ অধিকাংশ সাধারণ সবজি ৭০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে শসার দাম কিছুটা কম। সাধারণ শসা পাওয়া যাচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে। তবে দেশি শসার দাম তুলনামূলক বেশি, প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা। মানভেদে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি।
মুরগির বাজারেও চলতি সপ্তাহে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। রাজধানীর বাজারগুলোতে ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
ডিমের দামও রয়েছে আগের উচ্চমূল্যেই। বাজারে প্রতি ডজন ডিম ১৫৫ টাকা এবং চারটি ডিম ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের ভাষ্য, বর্তমানে ফার্মের মুরগির ডিম প্রতি ডজন ১৫৫ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে।
মাছের বাজারেও প্রায় একই চিত্র। তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২২০ থেকে ২৩০ টাকা, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে। এ ছাড়া পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে।
চাষের কই বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকা দরে। আকারভেদে চাষের শিং মাছের দাম ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি। মাঝারি আকারের রুই পাওয়া যাচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজিতে।
এ ছাড়া রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে কেজিপ্রতি হাজার টাকার বেশি গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।
বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, মাছের দাম নির্ধারণে মাছের আকারের পাশাপাশি সেটি জীবিত নাকি মৃত, তার ওপরও পার্থক্য হয়। একই মাছের দাম একেক বাজারে কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কম-বেশি হতে পারে।