মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান ঃ-
পটুয়াখালীর বাউফলে খালে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে বাউফল থানা পুলিশ । শুক্রবার ২৩ অক্টোবর ২০২৬ বিকেল অনুমান ৪ ঘটিকার দিকে বাউফল পৌরসভার বাংলাবাজার মসজিদ ঘাট এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
অজ্ঞাতনামা মরদেহটির দুই হাত গামছা দিয়ে বাঁধা ছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা এ প্রতিবেদক কে জানিয়েছেন। তবে নিহত ব্যক্তির পরিচয় ও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুর অনুমান ২ ঘটিকার দিকে গোলাবাড়ি এলাকার খালে মরদেহটি ভাসতে দেখেন স্থানীয় ইলেকট্রনিকস ব্যবসায়ী ফিরোজ আলমের স্ত্রী। পরে তিনি বিষয়টি সাংবাদিক মোঃ তরিকুল ইসলাম মোস্তফাকে জানান।
খবর পেয়ে সাংবাদিক মোঃ তরিকুল ইসলাম মোস্তফা ও মাই টিভির সাংবাদিক ওয়াহিদুজ্জামান ডিউক বাউফল মহিলা ডিগ্রি কলেজ সেতুর কাছে খালের বিপরীত পাশে অবস্থান নেয় । এ সময় খালের শ্রতে মরদেহটি ভেসে আসতে দেখা গেলেও সেখানে আটকানোর ব্যবস্থা না থাকায় সেটি বাংলাবাজারের দিকে চলে যায়।
পরে আনন্দ টিভির পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি এম নাজিম উদ্দিনকে সঙ্গে নিয়ে সাংবাদিকরা মোটরসাইকেলে বাংলাবাজার মসজিদ ঘাটে পৌঁছায় । সেখানে স্থানীয় এক ব্যক্তির সহযোগিতায় মরদেহটি পানি থেকে তুলে ঘাটে বেঁধে রাখা হয় ।
পরবর্তীতে বাউফল থানা ডিউটি অফিসারকে বিষয়টি জানানো হয়।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘাট এলাকায় উৎসুক জনতার ভিড় জমে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, মরদেহটির দুই হাত গামছা দিয়ে বাঁধা ছিল এবং পরনে ছিল লুঙ্গি। তবে কীভাবে ওই ব্যক্তি খালে পড়েছেন, তাঁর মৃত্যু কীভাবে হয়েছে কিংবা হাত বাঁধার বিষয়টি কীভাবে ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম জানান, খবর পাওয়ার পর নৌপুলিশকে অবহিত করা হয়। পরে নৌপুলিশের এসআই ছরোয়ার এবং বাউফল থানার এসআই খোরশেদ আলম ও এসআই মফিজুলের উপস্থিতিতে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।
এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত মরদেহের কোনো স্বজনের খোঁজ পাওয়া যায়নি।