নিজস্ব প্রতিবেদক,
মেস্তায়া স্টেডিয়ামে ভালেন্সিয়াকে ৫-০ গোলে বিধ্বস্ত করে লা লিগায় নিজেদের জয়যাত্রা অব্যাহত রেখেছে বার্সেলোনা। এই জয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে পয়েন্ট ব্যবধান আরও কমিয়েছে শীর্ষস্থানে থাকা হানসি ফ্লিকের দল।
এবারের মৌসুমে শুরু থেকেই উড়ছে কাতালান ক্লাবটি। প্রথম চার ম্যাচেই তারা প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠিয়েছে মোট ১৭ বার।
ম্যাচের মাত্র ৬ মিনিটেই লামিনে ইয়ামালের গোলে লিড নেয় বার্সা। ফের্মিন লোপেসের দারুণ এক পাস থেকে গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে দারুণ দক্ষতার সঙ্গে বল জালে পাঠান এই তরুণ ফরোয়ার্ড।
মৌসুমে এটি ছিল তার তৃতীয় গোল।
এর দুই মিনিট পরেই আবারও জালে বল পাঠিয়েছিলেন ইয়ামাল।
তবে ভিএআর চেক করার পর দেখা যায় তিনি সামান্য অফসাইডে ছিলেন, ফলে গোলটি বাতিল হয়।
অবশ্য দ্বিতীয় গোলের জন্য খুব বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি বার্সেলোনাকে। ২২ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের সহায়তায় লক্ষ্যভেদ করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফের্মিন লোপেস। এটি ছিল আসরে তার চতুর্থ গোল।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় সফরকারীরা। এক পাল্টা আক্রমণ থেকে ফের্মিনের বাড়ানো বল জালে জড়িয়ে স্কোরলাইন ৩-০ করেন রাফিনিয়া। এটি মৌসুমে তার ষষ্ঠ গোল।
৩-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের তুলে নিয়ে শক্তি সঞ্চয়ের দিকে মনোযোগ দেন কোচ ফ্লিক। গ্রীষ্মকালীন দলবদলে বার্সায় যোগ দেওয়া রদ্রি এদিন প্রথমবারের মতো শুরুর একাদশে মাঠে নেমেছিলেন।
ম্যাচের ৮০ মিনিটে স্কোরলাইন ৪-০ করেন পেদ্রি। দানি ওলমোর সঙ্গে চমৎকার ওয়ান-টু পাসে জায়গা তৈরি করে নিচু শটে বল জালে জড়ান এই স্প্যানিশ মিডফিল্ডার।
ম্যাচ শেষ হওয়ার কয়েক মিনিট আগে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ইয়ামাল। ওলমোর বাড়ানো নিখুঁত পাস থেকে বল পেয়ে জোরালো শটে ভালেন্সিয়ার কফিনে শেষ পেরেকটি ঠোকেন তিনি।
আগামী বুধবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ডাচ ক্লাব ফেইনুর্দের মুখোমুখি হবে বার্সেলোনা। অন্যদিকে, লিগের প্রথম জয়ের সন্ধানে থাকা ভালেন্সিয়া শুক্রবার খেলবে সেভিয়ার বিপক্ষে।