খুলনার পাইকগাছা উপজেলায় ১০ নং গড়ইখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম কেরুর বিরুদ্ধে ত্রাণের চাউল ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগে কোর্টে মামলা

Mofossal Barta
প্রকাশিত August 3, 2024, 11:10 AM
খুলনার পাইকগাছা উপজেলায় ১০ নং গড়ইখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম কেরুর বিরুদ্ধে ত্রাণের চাউল ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগে কোর্টে মামলা
সংবাদটি শেয়ার করুন....

ব্যুরো প্রধান খুলনা
মোঃ বাবুল সানা

খুলনা পাইকগাছায় ১০ নং গড়ইখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব আব্দুস সালাম কেরুর বিরুদ্ধে ত্রাণের চাউল ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগে অবশেষে কোর্টে মামলা। মামলা নং ৯০৭/২০২৪ ইং মামলার বিবরণে জানা যায় বর্ণিত বাদী ১০ নং গড়ইখালী ইউনিয়নের আমিরপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা। জীবিকার তাগিদে আইনী ব্যবসা র পাশাপাশি সাংবাদিক পেশার সাথেও জড়িত আছেন। বাদির পিতা একজন স্বনামধন্য শিক্ষক এবং তিনি এলাকার ভিতরে ও বাইরে একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনার সাথে জড়িত আছেন। বাদি তার সুযোগ্য পুত্র ও একজন প্রথম শ্রেণীর সচেতন নাগরিক হিসেবে স্থানীয় বঙ্গবন্ধু বায়তুল নূর জামে মসজিদ আমিরপুর বঙ্গবন্ধু কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ,বঙ্গবন্ধু মহিলা দাখিল মাদ্রাসা আমিরপুর এবতেদায়ী মাদ্রাসা নির্মাণ সহ একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন। দেশ জাতির কল্যানার্থে দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা বাদীর নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কারণে বাদিকে বহুবার কারাবরন করতে হয়। বাদী কুখ্যাত সন্ত্রাসীদের কোরাল গ্রাস থেকে স্থানীয় মিনাজ নদী বদ্ধ জল মহলটি উদ্ধার করেন। একসময়ের দুর্দান্ত প্রভাবশালী চেয়ারম্যান গাজী মোস্তফা কমাল বন্ধন ও তার সাঙ্গ পাঙ্গরা তার চাচা আইজিপি হওয়ার সুবাদ ভুয়া মসজিদ নির্মাণ নাম করে ২ মেট্রিক টন গম আত্মসাৎ করিলে প্রতিবাদ স্বরূপ উক্ত চেয়ারম্যান ও তার সাঙ্গ-পাঙ্গদের বিরুদ্ধে বাদী বিজ্ঞ আদালতে দুইটি মামলা দায়ের করেন।দুটি মামলায় তাদের জেল হয়। বর্তমান চেয়ারম্যান ১ নং আসামি আব্দুস সালাম কেরুর সাঙ্গো পাঙ্গরা সাবেক চেয়ারম্যান গাজী মোস্তফা কামাল বন্ধন এর চেয়েও কোন অংশে কম নহে।তারা চরম দুর্নীতি ও জাল জালিয়াতকারী ব্যক্তি বটে। কথিত আছে সাবেক এমপি জনাব আখতারুজ্জামান বাবু আপন ভাগ্নি হওয়ার কারণে ১ নং আসামি নামে বেনামে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে একাধিক প্রকল্প দেখাইয়া এবং ২ নং আসামি সহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা ভুয়া ও মনগড়া কমিটি তৈরি করে উক্ত কমিটির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। যার প্রতিবাদে উক্ত পরিষদের মেম্বারগন আনেকবার ১ নং আসামির বিরুদ্ধে অনাস্তা প্রস্তাব আনার চেষ্টা করেও ভাগ্নে এমপি থাকার কারনে অনাস্থা আনতে পারেন নাই। বর্তমান জনবান্ধব মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য মোঃ রশিদুজ্জামান মোড়ল সাহেব দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মুখর হওয়াই মেম্বারগন উক্ত প্রতিবাদের সহিত একাত্মতা ঘোষণা করেছেন এবং মেম্বারগণ গত ইংরেজি ৪/৬/২০২৪ তারিখে জেলা প্রশাসক খুলনা বরাবর বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার পাইকগাছা খুলনা বরাবর গত ইংরেজি ২০/০৬-২০২৪ তারিখে রেমাল ঘূর্ণিঝড়ের সরকারি বরাদ্দকৃত চাউল আত্মসাতের প্রতিবাদে একাধিক দপ্তরে অভিযোগ করেন। অভিযোগের বিষয়ে সাংবাদিকরা সরেজমিনে তদন্ত করেন এবং সত্যতা পাওয়াই একাধিক আঞ্চলিক, জাতীয়,পত্র-পত্রিকা ও ইলেকট্রিক মিডিয়ায় খবর প্রকাশিত হয়। উক্ত অভিযোগের বর্ণনা মতে বর্তমান চেয়ারম্যান মেয়াদকাল অবস্থায় নামে বেনাম ভুয়া প্রকল্প দেখাইয়া দুর্নীতি অনিয়ম ও জাল জালিয়াতের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের সরকারি ও বেসরকারি প্রকল্পে ও প্রজেক্ট থেকে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন। ঘটনার বিবরনে উক্ত নালিশী ১০ নং গড়ইখালী ইউনিয়ন পরিষদের নামে রেমেল ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় ও দুস্থদের মাঝে চাউল বিতরণের জন্য পাইকগাছা উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে ১২ মেঃ টন চাউল বরাদ্দ হয়। উক্ত বরাদ্দকৃত চাউলের মধ্যে ০৩/ ০৬ /২০২৪ তারিখে পর্যায়ক্রমে ২ মেট্রিক টন ও ৫ মেট্রিক টন এবং গত ১৩/৬/২০২৪ তারিখে অবশিষ্ট ৫ মেট্রিক টন জি আর চাউল ১ নং আসামী চেয়ারম্যান জি এম আব্দুস সালাম কেরু ঘটনাস্থল পাইকগাছা সরকারি খাদ্য গুদাম ঘর থেকে উত্তোলন করেন। যাহা ঈদের পূর্বেই বিতরণ করার নির্দেশ ছিল।ইউনিয়ন পরিষদের নিকটস্থ ১ নং আসামীর অনুগত ১ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য মোঃ গাউসুল করিম সরদার এর কথিত মতে ও অভিযোগকারী সাধারণ ও সংরক্ষিত সদস্যদের অভিযোগের ভাষ্যমতে তাদের অবগত ছাড়াই উক্ত ১২ মেট্রিক টন চাউলের মধ্যে ১ নং আসামী নিজস্ব লোকের মধ্যে ৫ মেঃ টন চাউল বিতরণ করেন। অবশিষ্ট ৭ মেট্রিক টন চাউলের কোন হদিশ পাওয়া যায় নাই। বর্ণিত মর্মে ১ নং আসামী জামায়াত পন্থী ও সরকার বিরোধী লোক হইতেছে। সুপরিকল্পিতভাবে সরকারের ভাবমূর্তি ও ইমেজ ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টা এবং রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে ১ নং আসামি চেয়ারম্যান জিএম আব্দুস সালাম কেরু রেমল ঘূর্ণিঝড়ে চাউল বিক্রি করে বিকৃত মূল্যের সম্পূর্ণ অর্থ নিজে আত্মসাৎ করেন। উক্ত বিষয়ে ইউনিয়ন ব্যাপী প্রতিবাদের ঝড় উঠলে অভিযোগকারী মেম্বারগণ সহ সাংবাদিকগণ গত ইংরেজি ২০/৬/২০২৪ তারিখে সংশ্লিষ্ট পাইকগাছা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিস সহ একাধিক অফিসে খবর নিয়ে জানতে পারেন পাইকগাছা গুদামে গড়ইখালী ইউনিয়ন পরিষদের রেমল ঘূর্ণিঝড়ের জি আর এর কোন চাউল নাই। সকল চাউল ১ নং আসামী চেয়ারম্যান জিএম আব্দুস সালাম কেরু উত্তোলন করেছেন এবং উত্তলিত চাউলের মধ্যে ৫ মেঃ টন চাউল পাইকগাছায় বিক্রি করেছেন ।ভাগ্নে এমপি ও নিজে চেয়ারম্যান হওয়ার পর তার অনুগত ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বার গাউছুল করিম সরদারকে সাথে নিয়ে ১নং আসামী তার দুর্নীতির রাম রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছেন তাকে ঠেকায় কে? অভিযোগকারী মেম্বার ও স্থানীয় জনসাধারণের ভাষ্যমতে ১ নং আসামী চেয়ারম্যান জিএম আব্দুস সালাম কেরু তার দুর্নীতির প্রমাণ না রাখার জন্য তার অনুগত ও দুর্নীতির সহযোগী ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বার গাউসুল করিম সরদার ব্যতীত অন্যান্য মেম্বারদের পরিষদে বসতে দেন না এবং তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন পাশাপাশি পূর্বের সচিবকেও তিনি পরিষদে বসতে দিতেন না। তিনি বলতেন আপনার পরিষদে আসার দরকার নাই আপনি মাস শেষ আপনার বেতন তুলে নেবেন বেশি বাড়াবাড়ি করলে আপনার চাকরি থাকবে না। দেখি আপনাকে কে রক্ষা করে। জানেন তো আমি নিজেই চেয়ারম্যান এবং আমার আপন ভাগ্নে স্থানীয় মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য। আমরা যদি দিনকে রাত বলি এবং রাতকে দিন বলি তাই হবে। এখন থেকে আমরা যা বলব তাই হবে। এখন থেকে আপনার আর কাজ করার দরকার নাই আপনার সকল কাজ আমার ছেলে করবে। আপনাকে যেখানে যেখানে স্বাক্ষর করতে বলবো শুধুমাত্র সেখানে সেখানে স্বাক্ষর করবেন এবং মাস শেষে বেতন তুলে নিয়ে যাবেন। আপনার বেতন আপনি যথাযথভাবে পাবেন কোন ত্রুটি হবে না এর বেশি কিছু আপনার জানার দরকার নাই। সঙ্গত কারণে বিগত সচিব কে অত্র মামলায় আসামি করা হয় নাই তবে বর্তমান সচিব তার সকল দুর্নীতির কাজে সহযোগিতা করার তাহাকে পত্র মামলায় ০৩ নং আসামি করা হইয়াছে। উপরোক্ত ঘটনার বিষয় ৩ ও ৫ নং আসামীদের নিকট চাউল আত্মসাৎ এর বিষয়ে জানতে চাইলে কোন উত্তর দেন নাই এবং উক্ত চাউল সংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র সরবরাহ করেন নাই। ফলে বাধ্য হয়ে অভিযোগকারী মেম্বারগণ গত ইংরেজি ২০/৬/২০২৪ তারিখে বর্ণিত ১ নং আসামীর বিরুদ্ধে পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার পাইকগাছা খুলনা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন উক্ত অভিযোগের রিসিভ কপি যুক্ত করা হয়েছে। বর্ণিত ১১ নং সাক্ষী সাংবাদিক হিসেবে সরেজমিনে নালিশি ইউনিয়ন পরিষদে যান এবং সংবাদ সংগ্রহ করে গত ইংরেজি ৩০/০৬/২০২৪ ইং তারিখে জাতীয় দৈনিক মফস্বল বার্তা পত্রিকার প্রথম পেজে পাইকগাছা ত্রাণের চাউল আত্মসাৎ করায় ১০ নং গড়ইখালি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম কেরুর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই “বিতরণের পাঁয়তারা” শিরোনাম উল্লেখ করেন এবং খুলনার ১০নং গড়ইখালি ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম কেরু এর বিরুদ্ধে ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় ও দুস্থদের বরাদ্দকৃত ৫ মেট্রিক টন চাউল আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে।লিখিত অভিযোগ সূত্র জানাই রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য উপজেলা পরিষদ থেকে ১২ মেট্রিক টন চাউল বরাদ্দ হয় যা গত ইং০৩/০৬/ ২০২৪ তারিখে পর্যায়ক্রমে দুই মেট্রিক টন ও ৫ মেঃ টন এবং সর্বশেষ ১৩/৬/২০১৪০ তারিখে ৫ মেট্রিক টন অত্র ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম ওরফে কেরু উত্তোলন করেন এবং উক্ত চাউল ঈদের আগেই বিতরন শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু চেয়ারম্যান সজন প্রীতি দেখিয়ে নিজের পরিচিত লোকদের মাঝে ৫ মেঃ টন ও স্থানীয় এমপির নির্দেশনায় দুই মেট্রিক টন চাউল বিতরণ করেছেন।কিন্তু বাকি ৫ মেঃ টন চাউলের কোন হদিস নেই। সর্বশেষ গত ২০/৬/২০২৪ তারিখে সকল দপ্তরে যোগাযোগের পর কোন তথ্য না পাওয়ায় রেমেলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মাঝে বিতরণের ত্রাণের সেই আত্মসাৎ কৃত ৫ মেট্রিক টন চাউল ফেরত পেতে পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন উক্ত ইউনিয়নের ৯ জন মেম্বার। ৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার অচিন্ত্য সরদার বলেন গত ইউপি চেয়ারম্যানের সময় সম্মানের সহিত জনগণের সেবা করে এসেছি কিন্তু বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম কেরু চেয়ারম্যান হওয়ার পরে মান সম্মান নিয়ে জনগণের সেবা করাই দায় হয়ে পড়েছে।তিনি আরো বলেন বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম কেরুর সময় আমরা ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে সম্মানের সহিত একটু বসতেও পারি না।এবং আপনাদের মত মেম্বারদের আমার কোন বালেও কাজে লাগে না বলে অকথ্য ভাষা ব্যবহার করেন। চাউল আত্মসাৎ এর বিষয়ে সরে জমিনে ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে যেটা দেখতে পেয়েছি গত ২০/০৬/২০২৪ তারিখে তিনি আরো একটি ডিও লেটার দিয়ে ৪ টন ৫০০ কেজি চাউল উঠিয়ে এনেছেন যেটা কাবিখার চাউল এবং সেই চাউলটা ইউনিয়ন পরিষদে এসে পৌঁছেছে ২৩-৬-২০২৪ তারিখে সেই চাউলটা এখন চেয়ারম্যান ত্রাণের চাউল বলে চালিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত যেটা একজন জনপ্রতিনিধির নিকট হতে মোটেও কাম্য নয়। গোডাউন ইনচার্জ মাহবুবুর রহমানের ভাষ্যমতে তিনি গত ২০/৬/২০২৪ তারিখে ডিও লেটার দিয়ে যে চাউলটা চেয়ারম্যান নিয়ে গেছেন ওটা কাবিখার চাউল। এ বিষয়ে গড়ইখালি ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম ওরফে কেরুর সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন উক্ত চাউল তিনি বিক্রি করে দিয়েছেন। যার সমস্ত প্রমাণ তিনি নিজের মুখেই স্বীকার করেছেন যার সমস্ত কল রেকর্ড জন সম্মুখে প্রকাশ করা হবে। উক্ত চাউল আত্মসাৎ এর বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয় মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন চাউল আত্মসাৎ এর বিষয়ে একটা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি এবং তদন্ত চলমান শেষ হলে বিস্তারিত তথ্য দিতে পারব বলে জানিয়েছেন।বাদি খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারেন অদ্যবধি কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় নাই।
এছাড়া গত ইংরেজি ০৪/০৬/২০২৪ তারিখে নালিশি ইউনিয়ন পরিষদের অধিকাংশ মেম্বারগণ ১ নং আসামীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ এনে জেলা প্রশাসক,খুলনা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। উক্ত অভিযোগের বিষয়ে তদন্তপূর্বক উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চিঠি ইস্যু হয়। উক্ত বিষয়ে পত্রপত্রিকায় ও ইলেকট্রিক মিডিয়ায় একাধিকবার খবর প্রকাশিত হয় কিন্তু অদ্যবধি কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় নাই। কথিত আছে এবং তদন্ত করিলে দেখা যাবে ১ নং আসামি প্রকাশ্য দিবালোকে ইউনিয়নের অধিকাংশ প্রকল্প প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশেষ করে জেলা পরিষদ ও উপজেলা পরিষদ এবং এমপি সাহেবের থোক বরাদ্দ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। কাজগুলো তিনি নিজেও টিকাদার হিসেবে পেতে পারেন আবার ঠিকাদারের কাছ থেকে খরিদ করে কিংবা সাব কন্টাকটার নিয়ে সম্পূর্ণ করেছেন। তবে বিভিন্ন মহল থেকে প্রকাশ নিজের চেয়ারম্যান আপন ভাগ্নে মাননীয় জাতীয় সংসদ হওয়ার সুযোগে অনেকগুলো প্রজেক্ট এর কাজ না করে সকল অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।এছাড়াও ১ নং আসামী কর্তৃক থানা ও ক্যাম্পের দালালি সর্বজন স্বীকৃত। এছাড়াও ১ নং আসামি কর্তৃক দুর্নীতির কয়েকটি বাস্তব চিত্র বিজ্ঞ আদালতের জ্ঞাতার্থে ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে পেশ করা হইল উক্ত ইউনিয়নের আন্তর দোকান হইতে কাশী রোডের প্রকল্প বাবদ সরকারি অর্থ ২ লক্ষ টাকা, বশিরের দোকান হইতে টলারঘাট গড়ইখালি এর জন্য প্রকল্প বাবদ সরকারি অর্থ ২ লক্ষ টাকা,গাংরখি আবাসন প্রকল্পের বাউন্ডারি সীমানা প্রাচীর সংস্কারের প্রকল্প বাবদ সরকারি অর্থ ৪ লক্ষ টাকা।গাংরখি বাজার সংস্কারের জন্য প্রকল্প বাবদ সরকারি অর্থ ২ লক্ষ টাকা। খানজাহান আলী খানুর দোকান হইতে কাঠুর দোকান সংলগ্ন রাস্তা সংস্কারের জন্য গাংরখি আবাসন প্রকল্পের বাউন্ডারি সীমানা প্রাচীর সংস্কারের জন্য প্রকল্প বাবদ সরকারি অর্থ ১ লক্ষ্য ৬৫ হাজার টাকা। ভূমি উন্নয়ন কর হইতে আয় সরকারি ৬ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা প্রকল্প না দিয়ে সম্পূর্ণ অর্থ আত্মসাৎ করেন। বর্ণিত ১ নং আসামী চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকে পরিষদের সচিব উপজেলা প্রকল্প বড় কর্তাদের ম্যানেজ করে কিংবা এমপি ভাগ্নে ভয় দেখিয়ে কোথাও কোন কাজ না করে কিংবা কর্মসূচির লোক দারা যৎ সামান্য কাজ করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে হয়েছেন আঙুল ফুলে কলা গাছ।
উক্ত ঘটনায় বাদী ইংরেজি ০৭/০৭/২০২৪ তারিখে সংশ্লিষ্ট অফিসার ইনচার্জ,পাইকগাছা থানা,খুলনা।দুদক চেয়ারম্যান, ঢাকা।খুলনা বিভাগীয় দুর্নীতি দমন কমিশন,সমন্বিত জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন,খুলনা। জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট,খুলনা।উপজেলা নির্বাহী অফিসার খুলনা তে অভিযোগ ও এজাহার দায়ের করেন সকল অফিসগুলো হইতে বাদিকে বিজ্ঞ আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেন।এছাড়া পাইকগাছা থানা কর্তৃপক্ষ অভিযোগ গ্রহণ করতে রাজি না হওয়ায় ডাকযোগ এজাহার প্রেরণ করা হয় বিধায় বাধ্য হইয়া আদালতে মামলা দায়ের করিলেন।
বর্ণিত আসামিগণ তফসিল বর্ণিত চাল ও প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ করে দন্ডবিধির ১৬১/১৬৫/৪২০/৪০৯/৪৬৭/৪৬৭/৪৭১ ধারা সহ দুদকের তফসিলে উল্লেখিত অন্যান্য ধারা উপধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুদকের ২ নং আইনের ৫(২) ধারা মতে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করিয়াছেন বিধায় বাদী উক্ত মামলা দায়ের করিতে বাধ্য হইয়াছেন এবং মহামান্য আদালত উক্ত ঘটনা তদন্ত সাপেক্ষে আগামী ১৫/৯/২০২৪ তারিখে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদককে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।