স্টাফ রিপোর্টারঃ
আওয়ামী সরকারের মদদপুষ্ট যুগ্ম সচিব ( সদস্য) ভূমি ও ব্যবস্থাপনা জাতীয় গৃহায়ণ কতৃপক্ষে বর্তমানে কর্মরত আছে। তিনি ছাত্রলীগ থেকে ২০ তম ব্যজে যার পরিচিতি নং ৬৭৩৮ নিয়োগপ্রাপ্ত হয়। বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম মন্ত্রণালয়ে কর্মরত থাকাকালিন সময়ে মসজিদ, মন্দিরের, নামে বিভিন্ন অনুদানের টাকা আত্মসাৎ করে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে যায় এই কুদ্দুস আলী সরকার। যাহা ধর্ম মন্ত্রনালয়ের একাধিক সূত্র থেকে জানা যায়।
এই প্রতিবেদক কে নরসিংদীর একাধিক ব্যাক্তি জানায় কুদ্দুস আলী সরকার বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সমর্থক ও অর্থযোগান দাতা। অদ্য ১৯ আগস্ট ২০২৪ সারা বাংলাদেশ থেকে আসা জাতীয় গৃহায়ণ কতৃপক্ষের অস্থায়ী নিয়োগ প্রাপ্ত যাদের চাকুরির বয়স ২০/২৫ বছর তাদের স্হায়ী করন সহ সদ্য বদলী করা অফিস সহকারী ও হিসাব রক্ষক দের স্ব- স্ব স্থানে পুনর্বহাল করা এবং নতুন নিয়োগ দেওয়া অফিস সহকারী ও অস্হয়ী পিয়োন দের নিয়োগ বাতিল সহ অসাধু যুগ্ম সচিব কুদ্দুস আলী সরকার সহ হিসাব সাখার উপ পরিচালক আলমগীর হোসেন মোল্লা অপসরন দাবী করে বিক্ষোভ করে ।
বিগত ১৮ জুলাই ২০২৪ ইংরেজি তারিখে মোঃ নাসির উদ্দিন গণমাধ্যম কর্মী মোঃ কুদ্দুস আলী সরকারের ঘুষ, দুর্নীতি, অনিয়মের অভিযোগ এনে দুর্নীতি দমন কমিশনে ( দুদুক) এবং ২৫ জুলাই ২০২৪ ইংরেজি তারিখে গৃহায়ন ও গনপুর্ত মন্ত্রনালয়ের সচিব ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উপদেষ্টা , সচিব, ও চেয়ারম্যান বরাবরে গত ১৮ আগস্ট ২০২৪ ইংরেজি তারিখে মাজেদুল ইসলাম সবুজ নামের এক সাংবাদিক পুনরায় অভিযোগ অভিযোগ দ্বয়ের করে। ঐ অভিযোগের কপি সংবাদ প্রকাশের জন্য দিলে অভিযোগের সত্যতা অনুসন্ধান করতে থাকে এ প্রতিবেদক।

অনুসন্ধানে এ প্রতিবেদক মোঃ কুদ্দুস আলী সরকারের বর্তমান কর্মস্হল জাতীয় গৃহায়ণ কতৃপক্ষ (গৃহায়ণ ভবন) প্রধান কার্য্যালয় সেগুনবাগিচায় যায় এবং গোপনে তার অনুসন্ধান চালাতে গিয়ে জানতে পারে এই কর্মকর্তা যোগদানের পরেই একটি দূর্নীতিবাজ সিন্ডিকেটের সাথে মিলে গিয়ে ঘুষ,দুর্নীতি, অনিয়মের রাম রাজত্ব কায়েম করে এবং ঐ সিন্ডিকেটের হয়ে ভূমি শাখায় কর্মরত অফিস সহকারীদের বদলি ও নিয়োগ বাণিজ্য অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়ে পরে। কয়েক মাস পূর্বে দূর্নীতি অনিয়ম ও সরকারি গুরুত্বপূর্ণ নথি গায়েবের দ্বায়ে দুদুকের হাতে গ্রেফতার হওয়া সি,বি,এ সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন এর অনুসারী উপ পরিচালক (অর্থ) শাখায় কর্মরত আলমগীর হোসেন মোল্লা গংদের সাথে আতাত করে বেশ কয়েক কোটি টাকার বিনিময়ে এই দুর্নীতিবাজ কর্কর্তা তার একই এলাকার এই দপ্তরে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান থাকার সুযোগ নিয়ে তার সাথে আতাত করে একই দিনে ভূমি শাখার অফিস সহকারীদের দেশের বিভিন্ন জায়গায় বদলি করে দেয়। এ প্রতিবেদক জানতে পারে অবৈধ ক্ষমতা প্রয়োগ করে সরকারের বিধিবহির্ভূত ভবে ৩,৫০ কাঠা ভুমি মহম্মদপুর এরিয়ায় ঢাকার এক ব্যাক্তির নিকট থকে মাত্র ৫০( পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা ঘুষের বিনিময়ে খন্ড জমি হিসেবে বরাদ্দ দেয় যাহা আইন পরিপন্থী।
এ প্রতিবেদকের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে মিরপুর সেকশন – ২, ব্লক – ডি, রোড নং- ২, প্লট নং -৯, মিরপুর মডেল থানা এই প্লটের মূল মালিক নুর ভানুর বাবার নামে প্রথম এলোটমেন্ট দেয় সরকার সেই থেকে এই প্লটে তারা বসবাস করে আসিতেছিলো। তবে এই মোঃ কুদ্দুস আলী সরকার উপ পরিচালক (সদস্য) ভূমি ও সম্পত্তি ব্যাবস্হাপনা সে কয়েক কোটি টাকার বিনিময়ে একটি ভুমি দস্যু গ্রুপের ( ইউসুফ সাঈদ বাহিনীর) মোঃ রফিকুল ইসলাম এর নামে বিকল্প প্লট হিসেবে কাগজ পত্র করে দেয় এবং জুলাই ২০২৪ ইংরেজি মাসে রাত আনুমানিক ২-৩০ ঘটিকার সময় অশ্রের মুখে জিম্মি করে বাড়ি থেকে সকল কে বের করে দিয়ে রফিকুল ইসলামের সন্ত্রাসী বাহিনী দখলে নিয়ে যায় প্লট টি।
এ বিষয়ে নুরভানুর পক্ষে মিরপুর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করলে ও কোনো বিচার পায়নি বলে নুরভানুর ঘনিষ্ঠ এক আত্মীয় এ প্রতিবেদক কে জানায়। এ প্রতিবেদক মিরপুর মডেল থানায় কর্মরত এস,আই, মোঃ সাইফুল ইসলাম এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানায় একটি অভিযোগ পেয়েছি ঘটনাও সত্যি তবে বিবাদীদের কোনো হদিস পাচ্ছি না। এ প্রতিবেদক প্রশ্ন করে তবে এফআইআর করেন নি কেনো এর জবাবে সে জনায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) সাহেব এর নির্দেশে করতে পারিনি। আজকের ১৯ আগস্ট আন্দোলনকারীদের দাবি বিগত ১০ বছর ধরে আমাদেরকে বারবার আশ্বাস দিলেও আজ পর্যন্ত স্থায়ী না করে আমাদেরকে বিভিন্ন জায়গায় বদলি ও বের করে দেয়া হয় ।
২০-২৫ বছর চাকরি করেও আমদের কে স্থায়ী করা হয়নি বারবার আমাদেরকে আশ্বাস দেয়া হয়েছিল তবে যে চেয়ারম্যান আমাদের পক্ষে পদক্ষেপ নিয়েছে তা কি বদলি করে দেয়া হয়। বর্তমান যুগ্ম সচিব (সদস্য)ভূমি ও সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা দলীয় প্রভাব খাটিয়ে তার একে আমি সিদ্ধান্তে আমাদেরকে বিভিন্ন জায়গায় বদলি এবং অফিস থেকে বাহির করে দেয়া হয়।
তার পছন্দমত আত্মীয়-স্বজনদের নিয়োগ দিয়ে ভূমি শাখায় কার্যক্রম চালাতে যায়। এরা কাজ না বুঝার কারণে স্থবির হয়ে পড়ে ভূমি শাখা বাংলাদেশ সরকার এতে শত শত কোটি টাকার রাজস্ব হারায় এই কয়েক মাসে। রাজশাহী খুলনা যশোর দিনাজপুর সহ বিভিন্ন বিভাগের কর্মরত সদস্যরা জানায় আমরা বৈষম্যের শিকার এই যুগ্ম সচিব এর দ্বারা ।