ইরান পরাজিত হলে তেলের দাম দ্রুত কমবে: ট্রাম্প

Mofossal Barta
প্রকাশিত September 8, 2026, 14:04 PM
ইরান পরাজিত হলে তেলের দাম দ্রুত কমবে: ট্রাম্প
সংবাদটি শেয়ার করুন....

অনলাইন ডেক্স,

‎এবার ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিজয় হলে তেলের দাম দ্রুত কমে যাবে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি তেলের দাম প্রতি গ্যালন ৩ ডলারে নেমে আসবে এবং পরে ২ ডলারের নিচেও চলে যেতে পারে। সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে পাম্পে প্রতি গ্যালন জ্বালানি তেলের দাম কমে ৩ ডলারে নেমে আসবে। পরে তা আরও কমে ২ ডলারের নিচে চলে যাবে। এক গ্যালনে প্রায় ৩ দশমিক ৮ লিটার।

‎ট্রাম্প বলেন, তেলের দাম দ্রুতই কমে যাবে। একই সঙ্গে তিনি আবারও দাবি করেন, ইরান ‘কখনোই পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হবে না’। প্রসঙ্গত, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাতের কারণে মার্কিন নাগরিকদের ওপর বড় ধরনের অর্থনৈতিক প্রভাব পড়ছে। দেশটির পাম্পগুলোয় সম্প্রতি ডিজেলের দাম এযাবৎকালের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রে মূলত বাণিজ্যিক যানবাহন যেমন ট্রাক, ট্রেন, নৌযান ও বাস এবং কৃষি ও নির্মাণকাজে ব্যবহৃত যানবাহনে ডিজেল ব্যবহার করা হয়। ফলে এই মূল্যবৃদ্ধিতে পরিবহন ও উৎপাদন খাতে ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে।


‎সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, চলতি সপ্তাহের শুরুতে আমেরিকান অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশন (এএএ) জানিয়েছে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে এক গ্যালন (৩ দশমিক ৭৮৫ লিটার) ডিজেলের গড় দাম ৫ দশমিক ৮৫ ডলারে পৌঁছেছে। অথচ এক বছর আগে এই সময়ে প্রতি গ্যালন ডিজেলের দাম ছিল মাত্র ৩ দশমিক ৭১ ডলার। এমনকি ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর জ্বালানির দাম যতটা বেড়েছিল, বর্তমান দাম সেটাকেও ছাড়িয়ে গেছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের সঙ্গে সংঘাত শুরুর পর থেকেই পাইকারি বাজারে তেলের দাম হু হু করে বেড়ে যায়।

‎এ পরিস্থিতিতে মার্কিন নাগরিকদের ভোগান্তি কমাতে জ্বালানির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সংকটের সমাধান হিসেবে সম্প্রতি তিনি ভেনেজুয়েলার সঙ্গে একটি বড় তেল চুক্তির ঘোষণাও দিয়েছেন। ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, গত শনিবার দুই দেশের মধ্যে নতুন একটি চুক্তি সই হয়েছে। এ চুক্তির আওতায় ১৭টি কৌশলগত তেলক্ষেত্রের উন্নয়ন করা হবে, যেখানে প্রায় ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেলের মজুত রয়েছে। এ প্রকল্পে ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ করা হবে এবং ভেনেজুয়েলা কর বাবদ ২০৯ বিলিয়ন ডলারের বেশি পাবে।