বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, সনদও পেলেন পাহাড়ি তরুণ-তরুণীরা

Mofossal Barta
প্রকাশিত September 24, 2026, 18:18 PM
বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, সনদও পেলেন পাহাড়ি তরুণ-তরুণীরা
সংবাদটি শেয়ার করুন....

অনলাইন ডেক্স,

রাঙ্গামাটির পাহাড়ি তরুণ-তরুণীদের আত্মনির্ভরশীল ও প্রযুক্তিদক্ষ করে তুলতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রাঙ্গামাটি সদর জোনের উদ্যোগে আয়োজিত ১৫ দিনব্যাপী বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শেষ হয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে ২০ জন শিক্ষার্থীর হাতে সমাপনী সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়েছে।
‎বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাঙ্গামাটি সদর জোনে আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. একরামুল রাহাত, পিএসসি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপ-অধিনায়ক মেজর মো. জুলফিকার রহমান, পিএসসি এবং ক্যাপ্টেন সাদমান রাফিদ বিন আজম।

‎সনদ গ্রহণ শেষে প্রশিক্ষণার্থীরা বলেন, পাহাড়ের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আধুনিক কম্পিউটার শেখার সুযোগ তুলনামূলক কম। বিনামূল্যে এ ধরনের প্রশিক্ষণ তাদের সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন কাজের সুযোগ বাড়াতে সহায়তা করবে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের আত্মবিশ্বাসও বেড়েছে। ভবিষ্যতে ফ্রিল্যান্সিংসহ ঘরে বসে আয়ের বিভিন্ন পথ খোঁজার চেষ্টা করবেন বলেও জানান তারা।

‎অনুষ্ঠানে জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. একরামুল রাহাত, পিএসসি বলেন, পাহাড়ে শান্তি ও উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সেনাসদরের এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

‎তিনি বলেন, “আমাদের এই পুরো প্রশিক্ষণ পরিকল্পনাগুলো জিওসি, ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সরাসরি নির্দেশনায় এবং আমাদের রিজিয়ন কমান্ডারের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়েছে। আমরা মাঠপর্যায়ে কাজটি সম্পন্ন করেছি।”

‎ভবিষ্যতেও এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, “আমরা চাই রাঙ্গামাটিতে বাঙালি ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে। আমাদের তরুণরা একদিকে যেমন শিক্ষিত হচ্ছে, অন্যদিকে সবসময় তাদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে না।”

‎তিনি আরও বলেন, “আমরা যদি এমনভাবে কাজ করতে পারি, যাতে তরুণরা নিজেরাই নিজেদের কর্মসংস্থান গড়ে তুলতে পারে এবং অন্যদের জন্যও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারে, তাহলে তাদের অন্য কারও ওপর নির্ভর করতে হবে না।”

‎জোন কমান্ডার আশা প্রকাশ করেন, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণরা সামনের দিকে আরও এগিয়ে যাবে এবং ভবিষ্যতে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে।