ঘিওর উপজেলার জাবরা এলাকায় এক পাত্রের খাবার খেয়েছে ২০ হাজার মানুষ

Mofossal Barta
প্রকাশিত August 28, 2024, 16:04 PM
ঘিওর উপজেলার জাবরা এলাকায় এক পাত্রের খাবার খেয়েছে ২০ হাজার মানুষ
সংবাদটি শেয়ার করুন....

 

আল মামুন ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি :

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার জাবরা এলাকায় এক পাত্রের খাবার খেয়েছে ২০ হাজার মানুষ। পবিত্র ওরস উপলক্ষে ব্যতিক্রমী এক পাত্রে রান্না করেছে খিচুড়ি। যে পাত্রের ধারণ ক্ষমতা ১ শত ১ মণ খাবার। আয়োজকদের দাবি রান্নার এ পাত্রটি বিশ্বের দ্বিতীয়তম বড় এবং বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পাত্র।

মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ঘিওর উপজেলার জাবরা এলাকায় প্রতিবছরের ন্যায় শাহ এখলাছিয়া আজাহারিয়া দরবার শরীফের ওরস উপলক্ষে তবারক রান্না করা হয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় এই পাত্রে। যে পাত্রের রান্না দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ভক্ত অনুসারীরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে , ভোর থেকে অর্ধশতাধিক নারী ও পুরুষ রান্নায় ব্যবহারের বিভিন্ন মসলা প্রস্তুত করছেন এবং অন্তত ২০ জন ব্যক্তি রান্নায় নিয়োজিত রয়েছেন।

জানা গেছে, গত ২০১৬ সালে রান্নার জন্য ৩ শতাংশ জায়গাজুড়ে ১২ হাজার ইট দিয়ে ৪ লাখ টাকা ব্যয়ে চুল্লি তৈরি করে ৬ লাখ টাকা ব্যয়ে বড় এই পাত্রটি তৈরি করা হয়। রান্না প্রক্রিয়া শেষ হতে সময় লাগে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা। পুরো রান্নায় ব্যয় করতে হয় ২০-২৫ মণ লাকরি। যে পাত্রের রান্না করা তবারক অন্তত বিশ হাজার অনুসারী খেতে পারবেন।

রান্না পরিচালনার দায়িত্বে থাকা মো. সাইফুল ইসলাম চিশতি বলেন, সকাল থেকে ২০ জন ভক্তকে নিয়ে খিচুড়ি রান্নার কাজ শুরু করি। এ পাত্রে এক সঙ্গে ৫ মণ পেঁয়াজ, ৩ মণ আদা, ১ মণ মরিচ, ১ মণ রসুন, ২ শত কেজি তেলসহ অন্যান্য মসলা এবং চাল দিয়ে রান্নার পরে ১০০ মণের বেশি খাবার হয়।

সিরাজগঞ্জ থেকে আসা আকরাম নামে এক ভক্ত বলেন, এই পাত্রের রান্না অনেক মজা হয়। এই পাত্রের রান্না খেয়ে অনেকের মনের বাসনা পূর্ণ হয়েছে।

দরবারের বর্তমান পীর হজরত মাওলানা খাজা আবুল কালাম আজাদ বলেন, মানব সেবাই বড় ধর্ম তাই দরবারে ভক্ত এবং অতিথিদের খাবারের জন্য ১ শত এক মন ধারণসম্পন্ন রান্নার পাত্রটি তৈরি করা হয়েছে। যে পাত্রের খাবার ২০ থেকে ২৫ হাজার লোক খেতে পারবে। তার দাবি ভারতের আজমীর শরীফের পরে বিশ্বের দ্বিতীয় তম বড় এই পাত্রটি তারাই তৈরি করেছেন।