• ৬ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২২শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টেকনাফ সড়কে ৫৭ লাখ টাকা লুট: মূলহোতাসহ কয়েকজন আটক, রহস্য উদঘাটনে পুলিশের অগ্রগতি

Mofossal Barta
প্রকাশিত আগস্ট ৫, ২০২৬, ১০:৩০ পূর্বাহ্ণ
টেকনাফ সড়কে ৫৭ লাখ টাকা লুট: মূলহোতাসহ কয়েকজন আটক, রহস্য উদঘাটনে পুলিশের অগ্রগতি
সংবাদটি শেয়ার করুন....

অনলাইন ডেক্স,

কক্সবাজারের টেকনাফ- কক্সবাজার সড়কে সংঘটিত আলোচিত ৫৭ লাখ টাকা লুটের ঘটনার রহস্য উদঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে পুলিশ। বিশ্বস্ত একাধিক সূত্রের দাবি, ঘটনায় নেতৃত্বদানকারী মূলহোতাসহ কয়েকজনকে আ/টক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানাচ্ছে না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
‎সূত্র জানায়, সোমবার গভীর রাতে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাতির পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে তার আরও দুই ভাইকে হেফাজতে নেওয়া হয়। বর্তমানে তাদের নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
‎তদন্ত-সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের ভাষ্য, পুলিশের প্রধান লক্ষ্য এখন লুট হওয়া ৫৭ লাখ টাকা উদ্ধার এবং এ ঘটনায় জড়িত অন্য সহযোগী বা পৃষ্ঠপোষকদের শনাক্ত করা। এজন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
‎এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন জানান, ঘটনার দিন বিকাশের বিক্রয় প্রতিনিধিরা ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনের সময় অভিযুক্তদের ঘনিষ্ঠ এক নারী তাদের গতিবিধি লক্ষ্য করেন। পরে তিনি বিষয়টি ডাকাত দলের সদস্যদের জানালে একটি সিএনজি অটোরিকশায় করে বাসটির পিছু নেওয়া হয়। পরবর্তীতে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে বাসের গতিরোধ করে সংঘবদ্ধ ডাকাত দল হামলা চালায়।
‎গত রোববার দুপুর পৌনে ২টার দিকে টেকনাফ উপজেলার দমদমিয়া এলাকার ১৪ নম্বর সেতুর কাছে পেরেক লাগানো একটি বড় গাছের গুঁড়ি ফেলে পালকি পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস থামিয়ে দেয় মুখোশধারী সশস্ত্র ডাকাতরা। অস্ত্রের মুখে যাত্রীদের জিম্মি করে বাসে তল্লাশি চালানোর একপর্যায়ে বিকাশের বিক্রয় প্রতিনিধি আরমান (২৪), সাকিব (২১) ও একরাম (২২)-এর কাছে থাকা প্রায় ৫৭ লাখ টাকা লুট করে নেয়। এ সময় আরমান ছুরিকাঘাতে আহত হন।
‎জানা গেছে, আহত ও লুটের শিকার তিনজনই টেকনাফ পৌরসভার বাসিন্দা এবং বিকাশের বিক্রয় প্রতিনিধি (এসআর)। তারা টেকনাফ সীমান্ত এলাকার একটি ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে হ্নীলা ও হোয়াইক্যং ইউনিয়নের বিভিন্ন এজেন্টের কাছে পৌঁছে দিতে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন।
‎এ বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছেন, ডাকাতির ঘটনায় অভিযান ও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া যাচ্ছে না।